ওই দু'জনের সঙ্গে এখনই কাজ করতে নারাজ অধিকাংশ, কী ভবিষ্যৎ 'চিরসখা' আর 'কনে দেখা আলো'র?
কলকাতা, 13 এপ্রিল: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রায় দু সপ্তাহ কেটে গেলেও টলিপাড়ায় এখনও কাঁপছে public trust নিয়ে প্রশ্ন। যে প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর সেটে গিয়েছিলেন রাহুল, সেখানে নিরাপত্তার কোনও plan ছিল না বলে অভিযোগ। এর জেরে শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে risk নিয়ে ভয় তৈরি হয়েছে, আর তা থেকেই গত 7 এপ্রিল থেকে শুটিং বন্ধ রাখার দাবি উঠেছিল।
গত রবিবার টেকনিশিয়ান্সে আর্টিস্ট ফোরামের বৈঠকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট করেন, কেউ কেউ ওই প্রযোজনা সংস্থার কর্ণধারদের সঙ্গে কাজ করতে চাইলেও অধিকাংশের মনেই এখনও pressure আছে। তিনি বলেন, "decision আসছে নীচের স্তর থেকে—যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের ভোটে তা প্রতিফলিত হবে।"
তবে কোনও আনুষ্ঠানিক ban নেই। যদি কোনও প্রযোজনা হাতবদল হয় এবং চ্যানেল মেনে নেয়, তবে ‘চিরসখা’ ও ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিক দুটি আবার broadcast হতে পারে। কিন্তু যতদিন না নিরাপত্তা নিয়ে নতুন standard তৈরি হচ্ছে, ততদিন অনেকেই ওই দু’জনের সঙ্গে কাজ করতে চাইছেন না।
এই ঘটনা শুধু দুটি ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নয়, গোটা শিল্পের culture নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে। এখন থেকে প্রতিটি সেটে নিরাপত্তা নিয়ে report দেওয়া হবে, আর আর্টিস্ট ফোরাম সমস্যা হলে সমাধানের support দেবে। প্রসেনজিৎ স্পষ্ট করেন, "সংগঠন কাউকে কাজে বাধা দেয় না, কিন্তু response দেওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে।"
পরিবর্তন এখনও ধীরে ধীরে হচ্ছে। কিন্তু এই impact শুধু এক মৃত্যুতে নয়, শিল্পের ভবিষ্যতের নিরাপদ পরিবেশ গড়ার goal একটি সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকে আশা করছেন, এই ঘটনা শুধু ন্যায়বিচার চায় না, নতুন একটি যুগ শুরু করবে।
একজন অভিনেতার মৃত্যু যখন পুরো শিল্পকে নাড়া দেয়, তখন বোঝা যায় কতটা risk ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছিল সবাই।
নিরাপত্তা নেই মানে কাজ করাই বন্ধ—এটাই তো যুক্তিযুক্ত। কেন কেউ নিজের life জীবন নিয়ে খেলবে?
‘বয়কট’ না করা ভালো, কিন্তু কাজ না করার choice পছন্দ সবার থাকা উচিত। এটাই হচ্ছে বাস্তব power ক্ষমতা।
আগে কখনো ভাবিনি যে একটি ধারাবাহিকের পেছনে এত pressure চাপ থাকে। এখন দর্শক হিসেবে ভাবছি, আমরা কতটা দায়ী?
নতুন এসওপি হোক, কিন্তু তা যেন কাগজেই না থেমে যায়। প্রতিটি সেটে তা কার্যকর করা জরুরি।
এই ঘটনা নিশ্চয়ই একদিন story গল্প হবে—কিন্তু সেটা যেন নাটক না হয়, বাস্তবতারই অংশ হয়।