জয়ের ধুন না কাটতেই দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের উল্লাস মিলিয়ে যায় না, তার আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে স্লো ওভার রেটের penalty দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি জানিয়েছে, মিরপুরের ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে থাকার কারণে দলের প্রত্যেক সদস্যের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ fined করা হয়েছে।
ম্যাচে ৪৮.৪ ওভারে নিউজিল্যান্ডকে ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ, কিন্তু এই কাজটি করতে তাদের সময় লাগে ৪ ঘণ্টা ২০ মিনিট। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২ ওভার behind ছিল তারা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি পিছনের ওভারের জন্য ৫ শতাংশ fine হয়, যা মিলিতভাবে হয়েছে ১০ শতাংশ।
ম্যাচ চলাকালীনই ৪৬ ওভার শেষে স্লো ওভার রেটের কারণে বাংলাদেশকে penalty দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে বৃত্তের ভেতরে অতিরিক্ত ফিল্ডার রাখতে হয়েছিল। মাঠের আম্পায়ারদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট এই decision নেন। দল দায় স্বীকার করায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
যদিও খেলায় বাংলাদেশ ৮৭ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয়। নাহিদ রানা ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন, এবং তার বোলিং পারফরম্যান্স ছিল outstanding । এই জয়ে সিরিজ ১-১ এ সমতায় চলে আসে।
এখন চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ২৩ এপ্রিল তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে determine হবে সিরিজের বিজয়ী। জয়ের গন্ধ পাওয়া দলের জন্য এই শাস্তি নিশ্চিতভাবে একটি setback , কিন্তু চূড়ান্ত momentum এখনো তাদের হাতে।
জয় হয়েছে, কিন্তু এই fine জরিমানা খুব বেশি বোঝা হবে না তো?
স্লো ওভার রেট নিয়ে বার বার warning সতর্কবার্তা এসেছে, তবু পরিবর্তন হচ্ছে না কেন?
নাহিদ রানার performance পারফরম্যান্স ছিল আগুন, কিন্তু দলের ওভার রেট নিয়ে কেন এত অবহেলা?
মিরপুরে দেখেছি, বাউন্ডারি পিকআপে delay বিলম্ব হচ্ছিল, ওভার রেট ধীর হওয়া তো বোঝা যায়।
আইসিসি নিয়ম ভালো, কিন্তু কখনো কি অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডকে fined জরিমানা করা হয়েছে এত কঠোরভাবে?
নিউজিল্যান্ড হারলেও ওদের pressure চাপ কম নয়, চট্টগ্রামে ম্যাচ হবে খুব টাইট।
অধিনায়ক যদি manage পরিচালনা না করেন, তাহলে এমন শাস্তি অনিবার্য।
তৃতীয় ম্যাচে জিতলে momentum গতি আবার ফিরবে, জরিমানা ভুলে যাওয়া যাবে।