মোস্তাফিজকে ছাপিয়ে নায়ক নাহিদ রানা, পেলেন পুরস্কারও
পাকিস্তান সুপার লিগের এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে লড়াইয়ে new impact ফেললেন নাহিদ রানা। লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষে পেশোয়ার জালমির জয়ে তাঁর performance ছিল চোখে পড়ার মতো, আর এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে top position দখল করে নিল তাদের দল। মোস্তাফিজুর রহমানের পাশাপাশি শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার মতো বাংলাদেশি বোলারদের প্রদর্শনে ম্যাচটি হয়ে উঠেছিল বিশেষ।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে পেশোয়ার জালমি তুলেছিল ১৭৩ রান। কুশল মেন্ডিসের ৭৪ রানের ইনিংস ছিল দলের প্রাণ। মোস্তাফিজুর এমন পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন যা তাঁর reputation অনুযায়ী, ২ উইকেট নিয়ে ৩০ রান দিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটিং লক্ষ্য তাড়া করতে নামা মাত্রই লাহোর কালান্দার্সের উপর pressure তৈরি হয়েছিল।
শরীফুল ইসলাম দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাঈমকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর মাঠে এলেন নাহিদ রানা। তাঁর বাউন্সারে ধোঁকা খেলেন আবদুল্লাহ শফিক, আর উসমান মিরও পড়লেন তাঁর তোপে। ৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়া এই পেসারের quick impact লাহোরের ব্যাটিং ধস নামাতে সাহায্য করে। এমন smart decision নিয়ে ম্যাচ জুড়ে তাঁর বল হাতে নিয়ন্ত্রণ ছিল দুর্দান্ত।
লাহোর শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। পেশোয়ারের এই বড় victory তাদের পয়েন্ট টেবিলে ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পৌঁছে দেয়। অন্যদিকে মোস্তাফিজদের দল ৫ ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে ভাসছে। ম্যাচে শরীফুল পেলেন ম্যান অফ দ্য ম্যাচ-এর পুরস্কার, কিন্তু বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের মন কেড়েছেন নাহিদ রানা।
মোস্তাফিজ ভাইয়ের পারফরম্যান্স ভালো ছিল, কিন্তু নাহিদের pressure চাপ তৈরি করার ধরন দেখে মনে হচ্ছিল দলের ভবিষ্যত তাঁর হাতে।
৩ ওভারে ১৫ রান, ২ উইকেট? এটা কোনো simple match সাধারণ ম্যাচ না, এটা ছিল পুরোপুরি বোলিংয়ের দাপট।
শরীফুল পেলেন ম্যান অফ দ্য ম্যাচ, কিন্তু নাহিদ রানাই ছিলেন ম্যাচের real impact আসল প্রভাব।
মোস্তাফিজ ভালো বল করছেন, কিন্তু দলের ব্যাটিং যদি না সাপোর্ট করে, তাহলে individual effort একক প্রচেষ্টা কতদিন টিকবে?
এই জয়ের পর এখন দলটার top position শীর্ষে থাকার চাপ বাড়বে। পরের ম্যাচগুলো হবে কঠিন।
বাবর আজম ৪০০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন—এটা কোনো small achievement ছোট সাফল্য না!