লতা-আশার মৃত্যুতে কাকতালীয় মিল: একই হাসপাতাল, একই বয়স, একই প্রকৃতির মৃত্যু
দুই বোন, দুই কণ্ঠ, দুই যুগ। কিন্তু জীবনের শেষ পথে death তাদের আবার মিলিয়ে দিল। লতা মঙ্গেশকর এবং আশা ভোসলে— ভারতীয় সঙ্গীতের দুই মহান স্তম্ভ। ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনে কিছুদিনের জন্য দূরত্ব থাকলেও, তাদের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক কখনও ভাঙেনি। এমনকি final বিদায়ও এসেছিল একই রকম hospital , একই বয়সে, একই কারণে।
১৯২৯ সালে জন্ম লতার, আর ১৯৩৩ সালে জন্ম আশার। পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের মৃত্যুর পর কৈশোরেই পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন দুই বোন। লতা সর্বদা আগলে রাখতেন ছোট বোন আশাকে। কিন্তু সময়ের সাথে personal সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে আশার বিয়ে নিয়ে উঠেছিল বিতর্ক। গণপতরাও ভোসলেকে বিয়ে করার পর পরিবার, বিশেষত লতার সঙ্গে সম্পর্কে tension শুরু হয়।
পেশায়ও তাদের মধ্যে ছিল তুলনা। লতা ছিলেন মুখ্য নায়িকাদের কন্ঠ, আর আশা পেতেন ক্যাবার ও ‘আইটেম সং’-এর সুযোগ। কেউ কেউ বলতেন, লতা তাঁর প্রভাব ব্যবহার করে আশার সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এটি ছিল rumor — কারণ তারা একসঙ্গে গেয়েছেন ডুয়েট, একসঙ্গে কাজ করেছেন নায়ারের সঙ্গে। আসলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না, ছিল different স্বর, ভিন্ন শৈলী।
শেষ জীবনে দুজনেই অধিকাংশ সময় একসঙ্গে কাটাতেন। ২০২২ সালে লতার মৃত্যুতে আশা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। আশার মৃত্যুর সময়ও ছিল একই হাসপাতাল— মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি। দুজনেই করোনার পরবর্তী জটিলতায় ভুগছিলেন, multiple অঙ্গ বিকল হয়েছিল। মৃত্যুর সময় দুজনেরই বয়স ছিল ৯২ বছর। coincidence মিল নয়, এ ছিল এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য।
দুই কণ্ঠশিল্পীই সংস্কৃতির অংশ হয়ে রইলেন। তাদের সম্পর্কের গল্প শুধু বোনদের নয়, এটি সংগীতের ইতিহাস, legacy , এবং মানবিক সংযোগের কথা বলে। তাদের মৃত্যু শুধু একটি সাময়িক ঘটনা নয়, এটি একটি যুগের অবসান। কিন্তু তাদের গান ও সম্পর্ক থাকবে forever ।
এমন sibling bond ভাইবোনের সম্পর্ক আর কখনও হবে না। একই হাসপাতাল, একই বয়স— মনে হচ্ছে মৃত্যুও তাদের আলাদা করতে পারেনি।
লতার সুর ছিল মন জুড়িয়ে দেওয়া, আশার ছিল মন নাচিয়ে দেওয়া। দুজনেরই impact প্রভাব চিরস্থায়ী।
ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু? এটা কি আদৌ কাকতালীয়? নাকি কিছু গভীর connection সংযোগ ছিল?
আশা যখন বিয়ে করেছিলেন, তখন লতা রেগেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষই তো, সিদ্ধান্ত নেয়। বড় pressure চাপ ছিল তাদের উপর।
আশা যে brave সাহস করে বিয়ে করেছিলেন, সেটাই তো তাঁকে আলাদা করে। সমাজ, পরিবার— সব ঠেলে এগিয়ে গিয়েছিলেন।
এমন গায়িকা আর কখনও হবে না। দুজনে মিলেই গঠন করেছিলেন এক যুগ। তাদের loss হারানো শুধু পরিবারের নয়, জাতির ক্ষতি।