জিয়াউর রহমানের পরিবার দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া সদস্যরা new planটি এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের কথা উল্লেখ করেন, কিন্তু অনেকেই জোর দেন political history থেকে জিয়া পরিবারকে আলাদা করা অসম্ভব বলে। তাদের মতে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান— এই তিন প্রজন্মই দেশের independent history গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন রেখেছেন।

গাজীপুর-৫ এর সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৯০ এবং ২০২৪ এর মতো মোড়কারী political change জিয়া পরিবারের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। public trust এবং national reality হিসেবে তাদের অবদানকে তিনি চিহ্নিত করেন। তিনি জোর দেন যে, রাজনীতি থেকে ধর্মকে আলাদা করলে যেমন চেঙ্গিস খানের যুগ ফিরবে, তেমনি জিয়া পরিবারের প্রতি অবদান অস্বীকার করলে ইতিহাস অর্থহীন হয়ে যাবে।

‘জুলাই সনদ’ প্রসঙ্গে মিলন বলেন, এটি কোনো ঘোষণা নয়, বরং জনগণের collective demand । সরকার এর বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু তা proper process মেনেই হবে। তিনি বিরোধী দলগুলোকে সংসদে ওয়াকআউট না করে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান, কারণ জুলাই আন্দোলন কোনো একজনের সৃষ্টি নয়, এটি ছিল people's movement

বিএনপির অন্য সদস্যরা রাষ্ট্রপতির ভাষণকে timely update বলে মন্তব্য করেন। তারা উল্লেখ করেন যে, ভাষণে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির পাশাপাশি গুম ও হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনাও স্বীকৃত হয়েছে। এটি public pressure মাথায় রেখে একটি স্বীকৃতি বলে মনে করা হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জ-২ এর সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ও বিরোধী দল মিলে একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে পারে। তার এই support call সংসদে বিভিন্ন দলের সদস্যদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। সব মিলিয়ে, এই আলোচনা না শুধু ইতিহাস নিয়ে, বরং political decision এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা নিয়েও।

প্রতিক্রিয়া 6

  • শুভ

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কিনা, সেটাই হলো আসল public concern । কথা ভালো শোনায়, কিন্তু কাজে কি হবে?

  • তৃষা

    জিয়া পরিবারকে ইতিহাস থেকে আলাদা করা যাবে না— এটা ঠিক, কিন্তু তাদের political action নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।

  • রূপক

    ওয়াকআউট না করে আলোচনায় অংশ নেওয়াটা democratic practice হিসেবে গড়ে উঠুক, সেটাই চাই।

  • পিয়াল

    চেঙ্গিস খানের তুলনা একটু বেশি হয়ে গেল। কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির মিশ্রণ সত্যিই social risk বাড়ায়।

  • মৃণাল

    সরকারের উন্নয়নের কথা বললেও গুমের ঘটনা স্বীকার করা হয়েছে— এটা কমপক্ষে step forward

  • সুমিত

    গণআন্দোলন বলতে এখন প্রত্যেকটা আন্দোলনকেই বলা হয়। আসল people's support কতটুকু ছিল, সেটা বোঝা দরকার।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]