মেমরি চিপ সংকট ১০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে: ফাইসন সিইও
ফাইসনের সিইও জিয়ানচেং প্যান একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা দিয়েছেন: মেমরি চিপের shortage আগামী ১০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে এই ঘাটতি pressure আরও তীব্র হবে, কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের চাহিদা উৎপাদন ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তা যন্ত্রাংশের market ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
সিইও মনে করেন, এআই ডেটা তৈরির হার শতগুণে বাড়ছে, কিন্তু উৎপাদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৫০% বাড়ানো সম্ভব। এই imbalance দীর্ঘদিন ধরে চলবে। তিনি আশঙ্কা করছেন, এনভিডিয়ার নতুন রুবিন এআই চিপ এবং অ্যাপলের আসন্ন আইফোন উন্মোচন উৎপাদন capacity উপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে, অনেক প্রতিষ্ঠান risk নিয়ে কাজ করবে—‘টাকা থাকা সত্ত্বেও পণ্য কিনতে না পারা’ হবে নতুন বাস্তবতা।
আর্থিক দিক থেকেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মেমরি চিপ প্রস্তুতকারকদের profit margin ৮০% ছাড়িয়ে গেছে, যা প্যান একটি অস্বাস্থ্যকর লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। তিনি সমগ্র শিল্পের জন্য stability চান, নইলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বাজার ধস হতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদে, এআই শুধু প্রশিক্ষণ নয়, বাস্তব প্রয়োগের দিকে এগোচ্ছে। এই পরিবর্তনের সাথে ‘কম্পিউটিং পাওয়ারের প্রতিযোগিতা’ কমে যাচ্ছে এবং efficiency ও খরচ নতুন প্রতিযোগিতার মূল ভিত্তি হচ্ছে। প্যানের মতে, হাইব্রিড ক্লাউড কম্পিউটিং এই পরিবর্তনের চাবিকাঠি, যা স্থানীয় ডিভাইস ও শেয়ার্ড স্টোরেজকে একত্রিত করবে।
এই মডেলের সাফল্যের সাথে সাথে ডেটা আদান-প্রদানের volume নাটকীয়ভাবে বাড়বে, যা স্টোরেজের চাহিদাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। প্যান এমন এক ভবিষ্যৎ দেখছেন যেখানে এআইয়ের impact স্টোরেজ শিল্পকে পুনর্গঠিত করবে—এক প্রক্রিয়া যে পূর্ণতা পেতে আরও ২০ বছর সময় নিতে পারে।
ভোক্তা ডিভাইসের price দাম আবার লাফিয়ে উঠবে, এটাই স্বাভাবিক। আমরা মাঝারি আয়ের মানুষ, নতুন ফোন কেনার budget বাজেট আগেই কম।
এআইয়ের জন্য মেমরি চিপের demand চাহিদা বোঝা যায়, কিন্তু কেন উৎপাদন এত ধীরে বাড়ছে? এটা কি শুধু বিনিয়োগের issue সমস্যা?
৮০% profit মুনাফা—এটা সত্যিই অস্বাভাবিক। এমন trend প্রবণতা দীর্ঘদিন টিকবে না। বাজার নিজেই এক সময় নিয়ন্ত্রণ করবে।
হাইব্রিড ক্লাউড সত্যিই ভবিষ্যত। কিন্তু ততদিনে আমাদের ডিভাইসগুলো কত বার বদলাবে? একটা স্থিতিশীল solution সমাধান দরকার।
‘টাকা থাকা সত্ত্বেও পণ্য কিনতে না পারা’—এই বাক্যটাই সবচেয়ে বেশি concern উদ্বেগ তৈরি করে। এটা কি আসলে শুধু চিপ নয়, পুরো যোগান শৃঙ্খলের crisis সংকট?
ডেটা আদান-প্রদানের growth বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু আমাদের নেটওয়ার্ক ও infrastructure অবকাঠামো কি তা সামলাতে পারবে?