মহেশখালীতে ৮ হাজার কোটি টাকার তেল মজুদ প্রকল্প অলস পড়ে আছে কেন?
কক্সবাজারের মহেশখালীতে new project হিসেবে নির্মিত প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার তেল মজুদ ও পরিবহন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে inactive পড়ে আছে। সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং বা এসপিএম পদ্ধতিতে গভীর সমুদ্রে ভাসমান বয়া থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল খালাসের এই infrastructure দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে পারত, কিন্তু এখনো তা operation শুরু করা হয়নি। অপারেটর সঙ্কট এবং ব্যবস্থাপনার complexity এর পিছনে প্রধান কারণ বলে জানা যাচ্ছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ৯০ লাখ টন জ্বালানি তেল হ্যান্ডেল করা সম্ভব, যা বর্তমান পদ্ধতির তুলনায় অনেক faster এবং cost-effective । প্রচলিত পদ্ধতিতে তেল খালাসে ১০-১১ দিন লাগে, কিন্তু এসপিএম চালু হলে তা মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সম্ভব হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা cost সাশ্রয় হতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার চাপও কমাবে।
মহেশখালীর কালারমারছড়ায় ছয়টি বৃহৎ storage tanks রয়েছে, যেগুলোতে মোট ২ লাখ টন তেল মজুদ রাখা যায়। এটি দেশের প্রায় এক মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি এবং এক সপ্তাহের ডিজেল demand পূরণ করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে সবগুলো ট্যাংকই empty পড়ে আছে, অথচ অবকাঠামো সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় সরকার এখনো ছোট জাহাজে তেল স্থানান্তরের পুরনো পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যা time-consuming এবং বেশি খরচসাপেক্ষ। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পরিবেশের জন্যও harmful । প্রকল্পটি চালু হলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা হবে stronger এবং দেশের কৌশলগত মজুদ ক্ষমতা বাড়বে।
সূত্র মতে, পূর্বে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র ছাড়াই পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইন বাতিল হওয়ায় তা স্থগিত হয়। এখন নতুন করে উন্মুক্ত দরপত্রের প্রক্রিয়া চলছে, যা legal এবং প্রশাসনিক delay সৃষ্টি করছে। সংসদ সদস্যদের মধ্যে চাপ বাড়ছে যে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, নতুবা এই মেগা প্রকল্প risk হয়ে উঠবে দীর্ঘমেয়াদী অলস সম্পদে পরিণত হওয়ার।
৮ হাজার কোটি টাকা এতদিন ধরে অলস পড়ে থাকলে বছরে ৮০০ কোটি সাশ্রয়ের claim দাবি আসলে কতটা realistic বাস্তবসম্মত?
এসপিএম চালু হলে তেল খালাসের সময় কমবে, কিন্তু ব্যবস্থাপনার failure ব্যর্থতা আসল সমস্যা। আরও বড় প্রশ্ন হলো—দায় নিরূপণ কবে শুরু হবে?
বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র ছাড়া দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তা কি আদৌ transparent স্বচ্ছ? সেটা বাতিল হওয়ায় আমি আশাবাদী।
আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য জ্বালানির দাম কমবে কি না, সেটাই বড় concern চিন্তা। প্রকল্প চালু হলে কি price দাম নামবে?
এত বড় প্রকল্প চালু না করে রাখা মানে হলো জাতীয় resource সম্পদ নষ্ট করা। এটা কোনো decision সিদ্ধান্ত হয়ে উঠল না।
পাইপলাইনে তেল খালাস কম ক্ষয় করে—এটা পরিবেশের জন্য positive ইতিবাচক। কিন্তু ব্যবহার না করলে impact প্রভাব কোথায়?