মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী stability আনতে আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যস্থতার দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছে রাশিয়া। রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে একটি ফোনালাপে এই initiative নেওয়ার কথা জানান, যা অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনা যখন failed হয়েছে, তখনি রাশিয়ার এমন ঘোষণা এসেছে। এটি মস্কোর কাছে একটি কৌশলগত move হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ইউক্রেন যুদ্ধের মতো জটিল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের presence প্রতিষ্ঠিত রাখতে চায়।
পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্টকে আশ্বাস দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্চের সংকট সমাধানে তারা সব ধরনের সহায়তা দেবে। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি lasting peace প্রতিষ্ঠার জন্য রাশিয়া রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে পেতে প্রস্তুত। এক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের mediation করতে তারা বদ্ধপরিকর।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নতুন সরকার আসার পর থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক strengthen করার ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। এই alliance শুধু দ্বিপাক্ষিক নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রভাব কমানোর একটি কৌশলও হতে পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কতটা effective হবে রাশিয়ার মধ্যস্থতা, যেখানে দশকের পর দশক ধরে অঞ্চলজুড়ে চলছে জটিল দ্বন্দ্ব।
রাশিয়া শান্তি চায়? নাকি শুধু আমেরিকার influence প্রভাব কাটাতে এই সুযোগ?
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি হলে সবচেয়ে বেশি benefit উপকার হবে সাধারণ মানুষের। কিন্তু কখন হবে সেটা?
ইউক্রেনে যুদ্ধ চলছে, আর পুতিন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির কথা বলছেন! ironic বিড়ম্বনা ছাড়া আর কী বলব।
ইরান আর রাশিয়ার cooperation সহযোগিতা আস্তে আস্তে বাড়ছে, এটা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মধ্যস্থতা ভালো কথা, কিন্তু সেটা কি সত্যিই neutral নিরপেক্ষ হবে? সেটাই হলো প্রশ্ন।
দীর্ঘদিনের সংঘাতের মধ্যে কোনো এক দেশের intervention হস্তক্ষেপ কি সত্যিই সমাধান আনবে? বিশ্বাস কঠিন।