বাংলার উপর যে অত্যাচার করেছ, গণতান্ত্রিক ভাবে তার বদলা তো নেবই! বিজেপিকে লক্ষ্য করে মমতার
২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে first phase ভোটগ্রহণের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় campaign শক্তিশালী করে তুলেছেন। সোমবার বীরভূমের মুরারইতে তাঁর প্রথম জনসভা হয়, যেখানে তিনি বিজেপিকে সরাসরি target করে তীব্র আক্রমণ শানান। এরপর তিনি খড়দহ এবং বেলেঘাটাতেও public meetings করবেন।
মমতা বলেন, মহারাষ্ট্র ও বিহারে EVM tampering করে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তিনি challenge ছুঁড়ে দেন: “মহারাষ্ট্রে জোর করে জিতেছে, ইভিএমে কারিকুরি করেছে! বিহারে একই tactic করেছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি। ওরা ধরতে পারেনি।”
“বাংলার উপর যে অত্যাচার করেছ, গণতান্ত্রিক ভাবে তার বদলা তো নেবই!”—এই কথা বলে তিনি ভোটের মাধ্যমে democratic revenge নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর মতে, ভোট বাক্সেই হবে প্রতিশোধ।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়াকে নিয়েও তিনি criticism করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এটি একটি সাজানো দৃশ্য—“আগে বলতেন চাওয়ালা, এখন বলছেন ঝালমুড়ি খেয়ে দেখি! মাছটা খেয়ে দেখবেন নাকি?”
মুখ্যমন্ত্রী আবার দলীয় কর্মীদের EVM guarding দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী ইভিএম replace দিতে পারে। খড়দহের সভায় তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন: “ওদের সব এজেন্সির ক্ষমতা বড়, না মানুষের ক্ষমতা বড়, আমিও দেখতে চাই।”
বদলা নেওয়ার কথা বললেও, ভোটের result ফলাফল কি সত্যিই এই অভিযোগগুলোর উপর নির্ভর করবে?
ইভিএম নিয়ে এত সন্দেহ, কিন্তু election commission নির্বাচন কমিশন কেন স্পষ্ট কিছু বলছে না?
মানুষের ক্ষমতা বড়—এই কথাটা শুনে hope আশা হয়, কিন্তু ভয়ও লাগে।
জনসভায় এত উত্তেজনা, কিন্তু actual change আসল পরিবর্তন কি হবে? এখনও প্রশ্ন রয়েছে।
ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে এত drama নাটক—এটা কি আসল ইস্যুর চেয়ে বড় হয়ে উঠবে?
ভোট box বাক্সে বদলা? সেটা হোক, কিন্তু কাজের কথা মনে রাখতে হবে।