দেশে শুরু হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহ
বাংলাদেশের বাসিন্দাদের জন্য আবহাওয়া change ঘিরে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বৃষ্টিবলয়ের প্রভাব কমে যাওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে, এবং আগামী কয়েকদিনে তা risk তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার কথা জানিয়েছেন।
তাঁর ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে দেশের সাতটি বিভাগে রেকর্ড-ব্রেকিং heatwave শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের কিছু অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে। এই তাপপ্রবাহ প্রায় two weeks ধরে স্থায়ী হতে পারে, অর্থাৎ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
গবেষক আরও জানিয়েছেন, ১৬ এপ্রিল থেকে তাপপ্রবাহের intensity আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি, তড়িৎ সরবরাহে বাধা এবং কৃষি ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য এই পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে।
অন্যদিকে, সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় রবিবার বিকেল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হালকা rainfall হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দেশের বাকি আটটি বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া অফিসগুলো তাপপ্রবাহের তথ্য নিয়মিত আপডেট করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
এই ঘটনা আবারও জলবায়ু crisis এবং তার প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি plan কতটা জরুরি তা তুলে ধরছে। দ্রুত প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিবর্তন ঘটছে, এবং সাধারণ মানুষ সেই reality মুখোমুখি হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের তাপপ্রবাহ প্রতিবছর বাড়ছে। আমাদের জলবায়ু action কর্ম নীতি কতটা কার্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
গ্রামে থাকি, বিদ্যুৎ বিল এখনই চড়া। এই heatwave তাপপ্রবাহ এলে পাখি-মাছ মারা যাবে, ফসলও নষ্ট হবে।
ঢাকায় থাকলে এসি থাকলে সামলানো যায়, কিন্তু গরিবদের কী হবে? তাদের জন্য কি কোনো support সমর্থন পরিকল্পনা আছে?
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিচ্ছেন, কিন্তু কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমরা কি শুধু দুর্যোগের অপেক্ষায় বসে থাকব?
বৃষ্টি না হওয়ায় পুকুর-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। এখন আবার pressure চাপ বাড়লে মানুষ কীভাবে সামলাবে?
জনসচেতনতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু কতজন জানে তাপদাহের লক্ষণ কী? এ ব্যাপারে স্কুল-কলেজে education শিক্ষা জরুরি।