ট্রাম্পের হুমকিতে ভীত নয় ইরান, পালটা সতর্কবার্তা গালিবাফের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি সত্ত্বেও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, এ ধরনের threat ইরানি জাতির ওপর কোনো impact ফেলবে না। রোববার এক্সে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেন, “আপনি যদি লড়াই করেন, আমরা লড়াই করব; আর যদি যুক্তি নিয়ে এগিয়ে আসেন, আমরা যুক্তি দিয়েই মোকাবিলা করব।”
এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া সব জাহাজের ওপর মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে blockade আরোপ করবে। তিনি বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে যেসব জাহাজ আন্তর্জাতিক জলসীমায় টোল আদায় করছে, সেগুলো খুঁজে বার করে halt করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এটি ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার চেয়েও wider হবে।
আইআরজিসি (Islamic Revolutionary Guard Corps) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক law অনুযায়ী বেসামরিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত, কিন্তু কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশ করলে তা যুদ্ধবিরতির violation হিসেবে গণ্য হবে। তারা স্পষ্ট করেছে, এমন পদক্ষেপের কঠোর response করা হবে।
আরও চাপ বাড়িয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি খাত একদিনেই destroy করে দিতে পারেন, সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সবকিছু অন্তর্ভুক্ত। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানকে তাদের পছন্দের দেশে তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না—এটি হবে ‘সব অথবা কিছুই না’।
অন্যদিকে, মার্কিন সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার প্রশ্ন তুলেছেন, প্রণালিতে অবরোধ করলে কীভাবে ইরানকে তা খুলতে বাধ্য করা হবে—তা unclear নয়। এই মন্তব্য মার্কিন প্রশাসনের উপর আন্তর্জাতিক pressure আরও বাড়িয়ে দেয়, কারণ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের তেল বাজারে একটি critical চাবিকাঠি।
এত tension টানাপোড়েন আর কতদিন চলবে? সাধারণ মানুষের জীবন বাজারে risk ঝুঁকি এর মধ্যে পড়েছে।
ট্রাম্প সবসময় হুমকি দেন, কিন্তু প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা ভাবেন কি? এটা তো শুধু posturing আস্ফালন।
ইরানের জবাবটা একদম clear পরিষ্কার—যুক্তি চাও, আমি যুক্তি দেব; লড়াই চাও, আমি লড়ব। কোনো fear ভয় নেই।
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ মানেই control নিয়ন্ত্রণ বিশ্বের তেলের 20%। এটা শুধু রাজনীতি নয়, global market বৈশ্বিক বাজার ঝাঁকুনি খাবে।
একটা দেশ যখন বলে ‘সব অথবা কিছুই না’, তখন diplomacy কূটনীতি আর কতটুকু কাজ করবে?
আইআরজিসি স্পষ্ট বলেছে—সামরিক জাহাজ প্রবেশ করলে যুদ্ধবিরতির violation লঙ্ঘন হবে। মার্কিন নৌবাহিনী কি সত্যিই এতটা risk ঝুঁকি নেবে?