গুগল ফটোসের নতুন আপডেটে বাড়ছে গোপনীয়তার উদ্বেগ
গুগল ফটোসের নতুন আপডেটে বাড়ছে গোপনীয়তার উদ্বেগ। এখন থেকে আপনার হাজারো আপলোড করা ছবি শুধু আপনার গ্যালারির অংশ নয়, নতুন সুবিধাটির মাধ্যমে সেগুলো কাজে লাগতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল জেমিনির প্রশিক্ষণে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুবিধা পেতে গিয়ে ব্যবহারকারীদের privacy ঝুঁকতে পারে, এবং এটি নিয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
গুগল তাদের ছবি আর্কাইভ সেবা গুগল ফটোসে একটি নতুন update চালু করেছে, যার মাধ্যমে জেমিনি আপনার সমস্ত ছবি স্ক্যান করতে পারবে। এর ফলে, আপনার পরিবার, বন্ধু, ক্রিয়াকলাপ, এমনকি দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কেও ধারণা তৈরি করতে পারবে এই AI model । এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সময় বাঁচাবে, কিন্তু একইসাথে স্পষ্ট হচ্ছে একটি নতুন ধরনের digital risk ।
এই পরিবর্তন আসছে ‘পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স’ নামের একটি নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে। ব্যবহারকারী চাইলে তাদের ক্যালেন্ডার, ই-মেইল এবং ফটো গ্যালারি connected করতে পারবেন জেমিনির সাথে। এর মাধ্যমে, আপনার চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট automatically খুঁজে পাওয়া যাবে বা ই-মেইল থেকে আমন্ত্রণ নিয়ে আসা যাবে। এটি ব্যবহারের convenience বাড়ালেও গোপন তথ্যের উপর কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে ছবি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে। আগে ছবি তৈরি করতে গেলে দীর্ঘ description লিখতে হতো, কিন্তু এখন জেমিনি নিজেই পুরো গ্যালারি দেখে আপনার পছন্দ, সম্পর্ক এবং personal memories বুঝে নতুন ছবি তৈরি করবে। এতে আপনার ঘনিষ্ঠ মানুষদের ছবিও ব্যবহার করা যেতে পারে, যা নৈতিক উদ্বেগ তৈরি করছে।
গুগল বলেছে, এই সুবিধা প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু হবে, পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশে যাবে। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে, ব্যবহারকারীর ছবি সরাসরি মডেল training ব্যবহার করা হবে না। শুধুমাত্র কিছু সীমিত তথ্য, যেমন কমান্ড ও প্রতিক্রিয়া, ব্যবহার করা হবে সিস্টেম উন্নতির জন্য। এটি একটি opt-in ব্যবস্থা, মানে আপনি নিজে চাইলে এটি চালু করবেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আপনার personal data কতটা শেয়ার করছেন তা ভালো করে বুঝে নিন।
আমি প্রতিদিন গুগল ফটোস ব্যবহার করি, কিন্তু এই update আপডেট শুনে ভয় পাচ্ছি। আমার বাচ্চার ছবি দিয়ে কি সত্যিই আরেকটা ছবি তৈরি করা হবে? এটা কি আদৌ safe নিরাপদ?
গুগল বলছে ছবি প্রশিক্ষণে ব্যবহার হবে না, কিন্তু তারা বলছে কমান্ড ও প্রতিক্রিয়া ব্যবহার করবে। তাহলে কি indirectly পরোক্ষভাবে আমার ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে না? এটা একটা ফাঁক।
সুবিধাটা আকর্ষক, ঠিকই। কিন্তু আমি কি আমার প্রেমিকের ছবি দিয়ে জেমিনি যেন নতুন ছবি না বানায়, সেটা কি নিশ্চিত করা যাবে? ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
এটা তো আর গোপনীয়তা নয়, এটা তো ডেটার free access নির্বাধ প্রবেশাধিকার। আমরা কি মানুষ নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার training data প্রশিক্ষণের উপাদান?
আমি অপ্ট-ইন না করলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু অনেকেই ক্লিক করে দেবে, আর তাদের digital footprint ডিজিটাল ছাপ বাড়বে। ভবিষ্যতে এটা বাজারজাতকরণে used ব্যবহৃত হবে।
গুগল কি সত্যিই আমার দেওয়া অনুমতির বাইরে কিছু করবে না? আগের কত আপডেটেই তো ছদ্মবেশে data collection তথ্য সংগ্রহ হয়েছে। আস্থা কমছে।