দারুণ লুক ও ফিচার্স, নয়া অবতারে ফিরছে বাজাজের Pulsar 180
ভারতের বাইক বাজারে new ঝড় আনতে প্রস্তুত বাজাজ অটো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও পালসার ১৮০ ফিরে এল market , কিন্তু এবার আধুনিক সজ্জায়। প্রায় ২৫ বছর ধরে যে মডেলটি তরুণদের হৃদয় জয় করেছে, সেটিকে আপডেট করে নিয়ে এলেন কোম্পানির প্রতিনিধিরা, যার লক্ষ্য পুরনো ভক্তদের আবার টানা এবং নতুন গ্রাহকদের পরিকল্পনাভুক্ত করা।
এবারকার পালসার ১৮০-এ রয়েছে new features : শক্তিশালী এলইডি হেডল্যাম্প, এলইডি ব্লিংকার এবং ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারে ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি। এর ফলে রাইড করার সময় ফোনের নোটিফিকেশন সরাসরি দেখা যাবে, যা নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ্যে impact ফেলবে। রঙের বিকল্পও অনেক—ব্ল্যাক ব্লু, ব্ল্যাক গোল্ড, হোয়াইট সহ আরও কয়েকটি অপশন আছে।
পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, বাইকটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১৭৮.৬১ সিসির ইঞ্জিন, যা ১৭ বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৫ নিউটন মিটার টর্ক দেয়। ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং টিউবলেস টায়ার সহ এটি শহর থেকে শুরু করে উঁচু রাস্তায় ভালো performance দেবে বলে দাবি। কোম্পানি জানিয়েছে, এক লিটারে ৪২ কিমি মাইলেজ সম্ভব।
নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ডুয়াল-ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে, যা ভিড়ে বা বৃষ্টিতে রাইড করার সময় pressure কমাবে। এর ওজন ১৫৬ কেজি, যা স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এসব ফিচার বিবেচনা করলে, ১.২২ লক্ষ টাকার এক্স-শোরুম দাম decision নেওয়াকে সহজ করে।
বাজাজ এই market আক্রমণের মাধ্যমে হোন্ডা, টিভিএস-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়াতে চায়। গ্রাহকদের কাছে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই plan গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পালসারের নামমাত্র নয়, এবার তার বাস্তব সাফল্যই হবে পরীক্ষার কাঠামো।
ব্লুটুথ থাকাটা সত্যিই game-changer গেম-চেঞ্জার, কিন্তু এটা কি কল রিসিভ করতে পারবে?
৪২ কিমি মাইলেজ দেবে বললেও রিয়েল performance পারফরম্যান্স রাস্তায় দেখতে হবে।
দাম ভালো, কিন্তু এখন তো প্রতি মাসেই new নতুন মডেল আসে। কেন আর একটা পালসার?
২৫ বছর পরও পালসারের নামে trust আস্থা আছে। এটা শুধু বাইক নয়, একটা লেগ্যাসি।
প্রিমিয়াম look লুক দেখে ভালো লাগল, কিন্তু রাইডিং comfort কমফোর্ট কেমন হবে?
ব্রেকিং সিস্টেম ভালো, কিন্তু এখনকার বাইকে ABS আসা উচিত। নিরাপত্তার risk ঝুঁকি তো কমছে না।