গণভোট ঘটনাক্রমে সিদ্ধ, বললেন সালাহউদ্দিন আহমদ
new plan নয়, বরং fact সিদ্ধ হয়েছে গণভোট— এমন দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন, গণভোট অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তার বৈধতা রয়েছে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিরোধী দলের আন্দোলনের pressure কমাতে চেয়েছেন, যারা গণভোটের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি legitimate কার্যক্রম, যা আদালতের আওতায় বিচারাধীন। তবে ভবিষ্যতে যদি আবার কোনো গণভোট করা হয়, তা হয় সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নয়তো আলাদা decision নিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হবে। তিনি জোর দেন যে, এখন থেকে এ ধরনের কাজ সংবিধানের বাইরে নয়, বরং তার কাঠামোর মধ্যেই হবে। এটি হুমকির কোনো বিষয় নয়, বরং public trust বিষয়।
সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ বৈধতা পেলে গণভোটসহ সমস্ত সিদ্ধান্ত আইনগতভাবে confirmed হবে। মন্ত্রী বলেন, আগামীতে গণভোট যদি কোনো সংবিধানি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে হয়, তাহলে তা রাষ্ট্রপতি বা নির্বাহী ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে proposal দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগে একই পদ্ধতিতে গণভোট করা হয়েছিল, যা আইনি complication তৈরি করেছিল। তাই এবার সরকার স্বচ্ছতা বজায় রেখে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো গণভোট যদি সংবিধানের বাইরে করা হয়, তা আদালতে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে। সুতরাং আইনি ভিত্তি সুদৃঢ় করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। support এবং বিরোধিতা নয়, কাজের মাধ্যমে বৈধতা প্রমাণের দাবি করেন তিনি।
ঘটনাক্রমে সিদ্ধ? এটা কি আদৌ legitimate বৈধ হতে পারে? আদালত ছাড়া এত বড় সিদ্ধান্ত কি এভাবে হওয়া উচিত?
বিরোধীদের pressure চাপ কমানোর চেষ্টা স্পষ্ট। কিন্তু গণভোটের বৈধতা যদি আদালতে থাকে, তাহলে ছোট করে দেখানোটা ঠিক নয়।
সংবিধানের বাইরে কিছু করলে সেটা কি কখনো risk ঝুঁকি তৈরি করে না? ভবিষ্যতের জন্য আলাদা আইন কেন জরুরি, সেটা পরিষ্কার নয়।
জনগণের trust আস্থা ফিরে পাওয়ার চাবি হলো স্বচ্ছতা। কথা সুন্দর, কিন্তু কাজে কি ফুটবে?
আগের গণভোটেও তো complication জটিলতা হয়েছিল। এবারও একই পথে হাঁটলে সেটা কি আবার ঘটবে না?
গণভোট মানেই জনগণের মত, কিন্তু সেই মত কে নির্ধারণ করবে? সরকারের decision সিদ্ধান্ত যদি আগে থেকেই থাকে, তাহলে ভোট কি আদৌ গণভোট?