৩০ লাখ টাকায় তৈরি নাটকে এত বড় প্রভাব? ‘প্রিয় নামে ডেকো’ কীভাবে জয় করল দর্শকদের মন
মাত্র ৩০ লাখ টাকা বাজেটে তৈরি হয়েছে নাটকটি, কিন্তু সেই সীমিত বাজেটেই সৃষ্টি হয়েছে এক অসাধারণ impact । নির্মাতা প্রবীর রায় চৌধুরী মূলত এই গল্প দিয়ে একটি সিনেমা বানাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বাজেটের pressure এবং পরিস্থিতির কারণে সেটি হয়ে উঠেছে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য drama । গেল ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘প্রিয় নামে ডেকো’ নাটকটি ইউটিউবে আসার মাত্র দুই সপ্তাহেই প্রায় ৬০ লাখ দর্শকের কাছে পৌঁছেছে।
নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন আহমেদ তাওকীর ও প্রবীর রায় চৌধুরী যৌথভাবে। জোভান ও তটিনীর অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছে। অনেকেই নাটকটির story এবং চরিত্রগুলোর সঙ্গে নিজেদের ব্যক্তিগত life -এর মিল খুঁজে পেয়েছেন। এমন একটি সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে যেখানে ভালোবাসা, কষ্ট এবং দ্বন্দ্ব ঘিরে রয়েছে চরিত্রদের।
সাফী নামের একজন দর্শক একটি মনস্পর্শী মন্তব্যে লিখেছেন, “আমার জীবনের সঙ্গে অনেক মিল আছে নাটকটির।” তাঁর মতে, নাটকটি শুধু মনোরঞ্জন নয়, এটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের reality তুলে ধরেছে। আবার শাহাদত মন্তব্য করেন, “নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে, মনে রাখার মতন।” হাসান ফারুক লিখেছেন, “ভাষায় ব্যাখ্যা করা যাবে না কতটা beautiful লাগছে।”
নির্মাতা প্রবীর রায় চৌধুরী বলেন, এত নাটকের ভিড়ে তাঁদের কাজ নিয়ে কথা হচ্ছে দেখে support পেয়ে খুশি। তিনি স্বীকার করেন, শুরুতেই ছিল একটু fear —মানুষ কি এই ধরনের গল্প পছন্দ করবে? কিন্তু দর্শকদের response দেখে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে গল্প আর সত্যিকারের অনুভূতি কখনোই পুরনো হয় না।
লেখক আহমেদ তাওকীর বলেন, দর্শকদের গঠনমূলক মন্তব্য তাঁকে inspiration দিচ্ছে। একজন লেখক হিসেবে তিনি মনে করেন, তাঁর লেখা যদি কারও মনে ভাবনা জাগায়, তবেই তা সার্থক। ‘প্রিয় নামে ডেকো’ এখন শুধু একটি নাটক নয়, এটি এক সামাজিক conversation সূত্রপাত করেছে। সামান্য বাজেটেও গল্পের power কতটা হতে পারে, সেটাই প্রমাণ করেছে এই নাটক।
জোভান-তটিনীর জুটি সত্যিই আলাদা। তাদের অভিনয়ে emotion আবেগ এতটা প্রাকৃতিক যে দেখতে দেখতে নিজেকে চরিত্রের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলি।
৩০ লাখ টাকায় এতটা quality মানসম্পন্ন কাজ? বাংলাদেশি নাট্যজগতের জন্য এটা এক বড় পদক্ষেপ। আসলে বাজেট নয়, গল্পের strength শক্তি গুরুত্বপূর্ণ।
সাফীর মন্তব্যটি পড়ে চোখ ভিজে গেল। এমন সম্পর্কের reality বাস্তবতা অনেকেরই জীবনে আছে, কিন্তু কেউ কথা বলে না।
এত দর্শকের কাছে পৌঁছানো মানে ইউটিউবই এখন সবচেয়ে বড় platform মাধ্যম। টিভি ছাড়িয়ে গেল এক ধাপ এগিয়ে।
নির্মাতা বলেছেন সিনেমা না হয়ে নাটক হওয়ার কারণ বাজেট। কিন্তু মনে হচ্ছে, এটাই ছিল সঠিক decision সিদ্ধান্ত। ছোট পর্দায় গল্পটা আরও কাছের লাগে।
এত সুন্দর নাটক উপহার দেওয়ার জন্য জোভান, তটিনী, প্রবীর ও তাওকীরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এমন work কাজ আরও হোক, দর্শকরা চায়।