‘কেসিসি বৈঠকখানা’ অনুষ্ঠানে চঞ্চল ও অঞ্জনের সংলাপ

কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল three-day বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক জনপ্রিয় আড্ডা ‘কেসিসি বৈঠকখানা’ অনুষ্ঠানের তৃতীয় আসর। সংস্কৃতির এই vibrant আয়োজনে আবহাওয়া ছিল যেন প্রতিটি কথোপকথনে বাংলার creative চেতনার ছোঁয়া। শহরের সাংস্কৃতিক মহলে এই আসর ধীরে ধীরে একটি cultural আবহ তৈরি করছে যেখানে শিল্পী, নির্মাতা আর দর্শক এক ছাদের নিচে মিলিত হন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন, ১৮ এপ্রিল, actor চঞ্চল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায়। শিরোনাম ‘আর্ট ফিল্ম ও কমার্শিয়াল ফিল্ম: তফাত ঘুচে যাচ্ছে?’ নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, দুই ধরনের সিনেমার মধ্যে সীমানা রয়েছে, কিন্তু দর্শক audience মন একই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি ভালো সিনেমা আর মন্দ সিনেমার পার্থক্যটা বুঝি।’ এই statement শোনা মাত্র হলে হলে চারদিকে উঠেছিল তালি।

চঞ্চল আরও বলেন, ‘কমার্শিয়াল সিনেমার সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। আবার আর্ট ফিল্মের সঙ্গে আমার কোনো আলাদা প্রেম নেই।’ তাঁর কথায়, তিনি শুধু quality কাজ দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চান। তাঁর এই মাঝামাঝি দৃষ্টিভঙ্গি অনেকের কাছেই মনে হয়েছে স্বস্তিদায়ক—যেন শিল্প আর বাণিজ্যের মধ্যে একটি সহাবস্থানের possibility তৈরি হচ্ছে।

এই পর্বে filmmaker ও গায়ক অঞ্জন দত্তও উপস্থিত ছিলেন, যাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানে আনে আরও একটু depth । তাঁদের সংলাপে ফুটে উঠেছিল বাংলা চলচ্চিত্রের evolution এবং নতুন প্রজন্মের সিনেমা দেখার taste । পর্বটি সঞ্চালনা করেন গীতিকার ও কবি চন্দ্রিল ভট্টাচার্য, যাঁর প্রশ্নগুলি ছিল সূক্ষ্ম এবং provocative

প্রতিক্রিয়া 6

  • অদিতি

    চঞ্চলের কথায় আছে honesty —তিনি কাউকে নিজের চোখে দেখেন না।

  • বৈভব

    আর্ট ফিল্মের ভক্তরা প্রায়ই কমার্শিয়াল সিনেমাকে look down করেন, কিন্তু চঞ্চলের মতো মানুষ ভারসাম্য আনে।

  • মিতা

    অঞ্জন দত্তের সঙ্গে তাঁর chemistry দেখে মনে হয়েছিল পুরোনো বন্ধুদের আড্ডা।

  • ঋজু

    ‘কেসিসি বৈঠকখানা’ এখন আসলেই বাংলার cultural চর্চার একটি মঞ্চ।

  • সৌম্য

    চন্দ্রিলের প্রশ্নগুলি ছিল sharp —তিনি প্রকৃত সঞ্চালক।

  • পিয়ালী

    দর্শকদের expectation হচ্ছে এই ধরনের আয়োজন আরও ঘন ঘন হোক।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]