বার্মিংহামের শিকড়ে ফিরে ক্রিকেটে বিনিয়োগ বেলিংহ্যামের
cricket মানে শুধু ব্যাট-বল নয়, কখনও কখনও সেটা হয়ে ওঠে অনুপ্রেরণার খেলা, আবেগের বিনিয়োগ। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা জুড বেলিংহ্যাম আজ সেই রূপান্তরের কেন্দ্রে। তিনি নিজের শৈশবের শহর বার্মিংহাম-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন একটি বড় বিনিয়োগ দিয়ে। ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডের দল বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের শেয়ার কিনেছেন তিনি। প্রায় ১০ লক্ষ পাউন্ড দিয়ে তিনি কিনেছেন ১.২ শতাংশ মালিকানা। এই খবর শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলপ্রেমী বার্মিংহামের হৃদয়ও ছুঁয়েছে।
বেলিংহ্যামের সংযুক্তি কেবল আর্থিক নয়, আবেগেরও। তাঁর ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয়েছিল বার্মিংহাম সিটির একাডেমিতে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে ডেবিউ। আজ তিনি ইউরোপের সেরা ক্লাবের তারকা, কিন্তু হৃদয় রয়েছে পৈতৃক hometown । তাঁর কণ্ঠে স্পষ্ট স্বীকারোক্তি, “আমি বার্মিংহামকে love । শহরটি আমার জন্য অনেক কিছু করেছে।” এই ভালোবাসা এখন রূপ নিয়েছে ক্রিকেট দলের মালিকানা হিসেবে। বেলিংহ্যাম শেয়ার কিনেছেন ওয়ারউইকশায়ার এবং নাইটহেড থেকে, যার মাধ্যমে তিনি শহরের ক্রীড়া জগতে নিজের উপস্থিতি ঘোষণা করেছেন।
বেলিংহ্যাম শুধু বিনিয়োগকারী নন, তিনি একজন অনুপ্রেরণা। তাঁর মতে, “children যেন খেলাধুলার সুযোগ পায়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।” তাঁর এই মনোভাব তাঁকে শুধু একজন ক্রীড়াবিদ নয়, একজন role model হিসেবে তুলে ধরে। তিনি ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগও গোপন করেননি। সাক্ষাৎকারে স্বীকার, তিনি একদিনের জন্য হলেও cricketer হতে চান, বেন স্টোকসের মতো। এই স্বপ্ন তাঁর বিনিয়োগের পিছনের একটি বড় অনুপ্রেরণা।
বার্মিংহাম ফিনিক্সের পতাকা আজ আরও উঁচুতে। একজন বিশ্বস্তরের ক্রীড়াবিদ এখন তাদের পরিবারের অংশ। বেলিংহ্যাম বলেন, “busy কারণে সময় বের করা কঠিন হলেও, যে কোনওভাবে অবদান রাখতে চাই।” এটি কেবল ক্রিকেট নয়, এটি একটি শহরের সাথে অঙ্গীকার। ওয়ারউইকশায়ার এখন ৫০.৪ শতাংশ শেয়ার নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ, নাইটহেড ৪৮.৪ শতাংশের মালিক। বেলিংহ্যামের মতো তারকা এসে যোগ দেওয়ায় এই সংযুক্তি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি হয়তো একটি ছোট বিনিয়োগ, কিন্তু এর প্রভাব বড়।
ভালো জিনিস। তারকা হলেও নিজের শিকড় ভোলেননি। এমন role model ভূমিকা মডেল দরকার আমাদের খেলায়।
১.২ শতাংশ শেয়ার মানে তো খুব বেশি না। কিন্তু আসল বিষয় হলো তাঁর মনোভাব।
আমি প্রথম যখন জানলাম, আমার অনুপ্রেরণা আমার শহরের ক্রিকেট দলে মালিক, চোখ ছলছল করে এসেছিল।
বার্মিংহামে ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও যে ভালো খেলা হয়, সেটা আজ মনে পড়ল। hometown শহর আর খেলার সম্পর্ক কখনও ছেদ পায় না।
১০ লক্ষ পাউন্ড মানে বড় টাকা, কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো—এই বিনিয়োগ কীভাবে দলকে এগিয়ে নেবে?
বেন স্টোকসের মতো হতে চান? মজার কথা। কিন্তু ওই ধরনের অল-রাউন্ডার খেলোয়াড় আজকাল খুব কম।
সব শিশুর খেলার সুযোগ হওয়া উচিত—এই কথাটা বেলিংহ্যাম ঠিকই বলেছেন। children শিশুরা খেললে দেশ এগোয়।