সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলা যায় না
জাতীয় সংসদের মধ্যেই উঠে এলো সদস্যদের জন্য গাড়ির demand । কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারের কাছে সদস্যদের জন্য সরকারি vehicle চাইলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মনে করিয়ে দেন: কোনো সদস্যই tax-free গাড়ি নেবেন না।
হাসনাতের দাবির পাশাপাশি আরেকটি বড় কথা উঠে এসেছিল যে, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘোষণা করেন, এখন থেকে প্রতিটি উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য একটি উন্নতমানের office বা 'পরিদর্শন কক্ষ' তৈরি করা হবে। এতে থাকবে আসবাবপত্র, এসি এবং সংযুক্ত বাথরুম। এই initiative বাস্তবায়নের জন্য ইউএনওদের কাছে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।
তবে গাড়ির দাবি উঠতেই রাজনৈতিক tension দেখা দেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সদস্যদের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে আলাপ হওয়া necessary । তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ব্যাপারে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানান।
এই আবেদনের পর বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মজার মন্তব্য করেন, ছোটদের কখনো ‘না’ বললে না চলে। তাদের আবদারে সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়। এটি ছিল হাসনাত আবদুল্লাহর দাবির প্রতি এক satirical প্রতিক্রিয়া, যা সদস্যদের মধ্যে amusement এনে দেয়।
যদিও সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যরাও স্থানীয় কার্যালয়ের ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন, গাড়ি না পাওয়ার বিষয়টি এখনও খোলা রয়েছে। হাসনাত বলেন, মানুষের কাছে যেতে হলে একটি গাড়ি support করবে। তবে এটি আসবে কি না, সেটা এখন নির্ভর করছে রাজনৈতিক negotiation উপর।
আসল কথা হলো, এত আনুষ্ঠানিকতা আর শুল্কমুক্ত গাড়ির নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিছু নেতা ঘুরপাক খেয়ে benefit সুবিধা নেয়। এই 'না' বলার নিয়ম কতদিন টিকবে?
সদস্যদের জন্য কক্ষ হোক—এটা ভালো। কিন্তু গাড়ির issue বিষয়টা তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনি এলাকায় ঘুরতে গেলে তো ভাড়া গাড়ি নিয়েই ঘুরতে হয়। এতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হয়।
হাসনাত একটু লজ্জা পাচ্ছিলেন, কিন্তু বলেছেন—এটাই তো গণতন্ত্র। সদস্যদের access প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হোক, কিন্তু অযৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা নয়।
শফিকুর রহমানের 'ছোটদের না বলতে নেই' মন্তব্যটা শুধু মজা নয়, এটাই তো আমাদের রাজনীতির reality বাস্তবতা। ক্ষমতার কাছে নিজের কথা বলতে পারে না কেউ।
মজার ব্যাপার হলো, যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে, তারাই আবার সুযোগ-সুবিধার দাবিদার। এই দ্বৈত মানদণ্ড কবে যাবে?
আমাদের এলাকার এমপি তো মাসে একবারও আসেন না। কক্ষ হোক বা না হোক, তাঁর উপস্থিতি চাই। সেটাই হবে real আসল পরিবর্তন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে, কিন্তু কার্যকর করা কতটা হচ্ছে? এই policy নীতি যদি শুধু কাগজেই থাকে, তাহলে আলোচনা বৃথা।
হাসনাত ভাই বললেন, 'আমরা লজ্জায় বলতে পারি না'—এটাই তো আসল কথা। কিন্তু লজ্জা পেয়ে request অনুরোধ করতে হয়, না হলে কেউ শোনে না।