মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে আদালতে হাজির না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

মানহানির মামলায় নির্ধারিত দিনে the court হাজির না হওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বিচারক। আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলী আদালতে এই order দেওয়া হয়। মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল বলেন, আমির হামজা আইনি প্রক্রিয়াকে ignoring করে চলছেন।

গত ২ এপ্রিল বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে atheist ও ইসলামবিদ্বেষী বলার অভিযোগে মানহানির মামলা করা হয় আমির হামজার বিরুদ্ধে। আদালত তখনই তাকে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু আজকের দিনেও তিনি failed হন আদালতে উপস্থিত হতে।

এই ঘটনা আইনের rule কতটা কার্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ মনে করেন, যদি আইন সবার জন্য একই হয়, তবে ক্ষমতার আশ্রয়ে কেউ delay করতে পারবেন না। আমির হামজা একজন জনপ্রিয় বক্তা হওয়ায় ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইনজীবী হুমায়ুন কবির কর্নেল বলেন, তার মামলা কেবল ব্যক্তিগত নয়, এটি সমাজে সত্য ও respect বজায় রাখার লড়াই। তিনি আশা করছেন, আদালতের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে কারও বিরুদ্ধে অপপ্রচার কমাতে impact ফেলবে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • মোনাজ

    আদালতের সমন ignoring করা কোনো গণপ্রতিনিধির জন্যই ঠিক না।

  • ফারজানা

    একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নাস্তিক বলা মাত্রাতিরিক্ত। এটা শুধু অপমান না, public trust নষ্ট করে।

  • সঞ্জিদ

    টুকু মন্ত্রী হোক আর নাই হোক, কাউকে এভাবে আক্রমণ করা উচিত না। freedom আছে বটে, কিন্তু দায়িত্বও আছে।

  • নাদিম

    আমির হামজা আগেও বিতর্কিত মন্তব্যে জড়িয়েছেন। এবারের case আসলে প্রত্যাশিত ছিল।

  • তানজিন

    গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, কিন্তু আসলে কি তাকে arrested করা হবে? এই প্রশ্নটাই আসছে।

  • লিমা

    যদি আইন সবার জন্য সমান হয়, তবে কেন কেউ delay করতে পারছেন? এটা নিয়ে স্পষ্ট হওয়া দরকার।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]