মেসি, রোনালদো, নেইমার: ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে—‘দ্য থ্রি স্টুজেস’। মেসি, রোনালদো ও নেইমারের ছবি দেখে তাঁদের তিনজনকে ‘জোকার’ বলা হয়েছে, কারণ দেড় দশক ধরে তারা মাঠে প্রতিপক্ষদের বোকা বানিয়ে আসছেন। আর তাঁদের খেলার মাধুর্য, যেমন কমেডি শো ‘দ্য থ্রি স্টুজেস’ ছিল টেকসই, তেমনই তাঁদের ক্যারিয়ারও ঐতিহাসিক। এখন প্রশ্ন—২০২৬ বিশ্বকাপে এই তিন কিংবদন্তিকে কি আর দেখা যাবে?
এটি অনেকের জন্য শেষ বিশ্বকাপ। ৩৮ বছর ধরে লিওনেল মেসি, ৪১ বছরের রোনালদো এবং ৩৪ বছরের নেইমার—সবাই final chance হাতছাড়া করতে চান না। কিন্তু প্রত্যেকে আলাদা পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে। মেসির খেলার বিষয়টি decision এখনো নেই, রোনালদোর আছে চোটের ঝুঁকি, আর নেইমারকে ফিরতে হবে পূর্ণ fitness নিয়ে।
মেসির ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্ট বলেছেন, সবকিছু মেসির ওপর নির্ভর করছে। ফিটনেস বা পারফরম্যান্স নয়—শুধু মেসি চান কি না। গত বছর তিনি ৫৪ ম্যাচে ৪৬ গোল করেছেন, আর এ বছর ইন্টার মায়ামির হয়ে নিয়মিত খেলছেন। এটা স্পষ্ট করে যে তিনি বিশ্বকাপের জন্য নিজের form ধরে রাখতে চান।
রোনালদো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হ্যামস্ট্রিংয়ে injury পান, যা ছিল ‘মারাত্মক’ বলে ক্লাব কোচ জর্জ জেসুস জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মাঠে ফিরে গোল করেছেন। পর্তুগালের কোচ মার্তিনেজ বলেছেন, সেন্টার ফরোয়ার্ডের জায়গাটি রোনালদো ও গনসালো রামোসের। এখন প্রশ্ন শুধু fitness নিয়ে। নেইমারের ক্ষেত্রে হাঁটুর চোট কাটিয়ে তিনি সান্টোসের হয়ে খেলা শুরু করেছেন। কোচ কুকার বলেছেন, ‘তিনি ম্যাচের পর ম্যাচ উন্নতি করছেন।’ কিন্তু ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি বলেছেন, তাঁকে আগে পূর্ণ fitness ফিরে পেতে হবে।
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। মেসির জন্য এখন শুধু মুখ ফুটে বলার moment , রোনালদোর জন্য ফিটনেস ঠিক রাখা, আর নেইমারের জন্য ক্রমাগত খেলা। ভক্তদের আশা—এই তিন তারকা আসবেন। কারণ, তাঁদের ছাড়া এই বিশ্বকাপ final act অসম্পূর্ণ থাকবে।
মেসি চাইলেই তিনি দলে। আর্জেন্টিনা ছাড়া মেসি কল্পনা করা যায় না। তাঁর সিদ্ধান্তটা শুধু বাকি।
চোট এড়ানোই biggest risk বড় ঝুঁকি। কিন্তু রোনালদোর মানসিক শক্তি দেখে আমি বিশ্বাস করি, তিনি আসবেন।
নেইমার যদি ফিরে আসেন, তাহলে ব্রাজিলের আক্রমণ হবে ভয়াবহ। কিন্তু ফিটনেস নিয়ে real concern বাস্তব চিন্তা।
মেসি আর রোনালদো ক্রিকেটের ধোনি-কোহলি নন। একসঙ্গে শেষ বিশ্বকাপে খেললে ইতিহাস হবে।
বিশ্বকাপে খেলার pressure চাপ এই বয়সে অনেক বেশি। কোচদের ভারসাম্য রাখতে হবে।
এই তিনজন ছাড়া বিশ্বকাপ হবে রঙহীন। তাঁদের জন্য এটা শেষ আসর, আর আমাদের জন্য final memory শেষ স্মৃতি।