মঙ্গলবার ইসরায়েল-লেবানন রাষ্ট্রদূতদের প্রথম বৈঠক, যুদ্ধবিরতির আশা কি জাগবে?

আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে new meeting হতে যাচ্ছে লেবানন ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে। এই সাক্ষাৎ হচ্ছে দুই দেশের পক্ষে প্রথম কূটনৈতিক যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা আপাতদৃষ্টিতে দীর্ঘদিনের শত্রুতার মধ্যে এক ছোট্ট ফাটল ধরাচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের নির্দেশে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েকহেইল লেইতার টেলিফোনে কথা বলেছেন এবং মার্কিন peace efforts -এর সমর্থনে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই বৈঠকে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যতের সংলাপের possible start নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সহিংস ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের pressure সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরাসরি আলোচনার নির্দেশ দেওয়ায় এই সাক্ষাৎ সম্ভব হচ্ছে। এটি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি বড় রাজনৈতিক decision হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে, লেবাননে অবস্থানরত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি শত্রুতা রয়েছে, এবং তারা সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। এই বৈঠক কি শুধু চোখ বোনার অভিনয় নাকি আসলেই peace process শুরু হবে, তা নিয়ে এখনও প্রচুর doubt রয়েছে। তবে প্রথম বৈঠকের মাধ্যমে কিছুটা আশা জাগছে যে দুই পক্ষ কথা বলতে পারবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনার মাধ্যমে অঞ্চলে স্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু অতীতের অনেক ব্যর্থ চেষ্টার তুলনায়, এবার কি আসলেই কোনো ভাবমূর্তি ভাঙা সম্ভব? এটাই এখন সবচেয়ে বড় public concern । স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে সাধারণ মানুষ কাঙাল, এবং এই বৈঠক হতে পারে সেই দিশার প্রথম পদক্ষেপ।

মন্তব্য 6

  • রিতা

    মঙ্গলবারের এই meeting কি শুধু মার্কিন চাপে হচ্ছে, নাকি আসলেই শান্তির দিকে এগোনোর ইচ্ছা আছে দুই পক্ষের?

  • অপূর্ব

    হিজবুল্লাহ যদি এত শক্তিশালী হয়, তাহলে লেবাননের সরকার কি আসলেই direct control করে? সেটা না পারলে শান্তি কীভাবে আসবে?

  • তুষার

    যুক্তরাষ্ট্র প্রায়শই এমন সময় হস্তক্ষেপ করে যখন তার strategic interest জড়িত থাকে। এবারও কি একই ব্যাপার চলছে?

  • মৌ

    যত তাড়াতাড়ি peace আসে, ততই ভালো। সাধারণ মানুষ যুদ্ধের মাঝে পড়ে সবচেয়ে বেশি ভোগে।

  • সজল

    এতদিন পর প্রথমবারের মতো কথা হচ্ছে — এটাই বড় কথা। একটা small step হলেও এটা যে কোনো যুদ্ধবিরতির চেয়ে বেশি মূল্যবান।

  • নীল

    কতটা trust করা যায় এই আলোচনায়? ইসরায়েল আগেও অনেক আলোচনা ভেঙে দিয়েছে।