৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উল্লাস
ইউরোপের অন্যান্য দেশ যখন border কঠোর করতে ব্যস্ত, স্পেন সেখানে এক বিপরীত পথ বেছে নিয়েছে। দেশটির সরকার এক historic সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রায় পাঁচ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধতা দেওয়া হবে। অর্থনীতি, জনসংখ্যা pressure এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে এই পদক্ষেপকে ন্যায্য বলে দাবি করা হচ্ছে।
এই ঘোষণার পরপরই বার্সেলোনায় বসবাসকারী বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে celebration শুরু হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে তারা thank জানাচ্ছেন স্পেন সরকারকে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে।
আবেদনকারীদের কমপক্ষে পাঁচ মাস ধরে স্পেনে থাকার proof এবং অপরাধমুক্ত record দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা পাবেন কাজের সুযোগ, সামাজিক security নম্বর এবং সরকারি healthcare -র অধিকার।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, এই অভিবাসীরা ইতিমধ্যেই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবা খাতের key অংশ। জনসংখ্যার বার্ধক্য এবং শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এটি একটি necessary পদক্ষেপ। অতীতে স্পেনের নাগরিকরাও বিদেশে কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন— সেটাই তাঁর কাছে নৈতিক ভিত্তি।
কিন্তু বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই decision নিয়ে ক্ষুব্ধ। তারা দাবি করছে, এটি অবৈধ অভিবাসনকে encourage করবে এবং নতুন করে arrival বাড়াবে। অন্যদিকে, ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু নাগরিক সংগঠন এটিকে support করেছে। ইউরোপজুড়ে কঠোর নীতির মধ্যে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্কের spark করেছে।
অনেক দেশে অভিবাসন নিয়ে কঠোর নীতি চলছে, কিন্তু স্পেন বাস্তবতা বুঝে একটা practical ব্যবহারিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আমার বন্ধু আছে সেখানে। আজ রাতে তারা রাস্তায় নেচেছে। relief মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি কী রকম হয়, আজ বুঝলাম।
বিরোধীদের ভয় বোঝা যায়, কিন্তু কি economic অর্থনৈতিক সুবিধা হবে না? শ্রমের ঘাটতি তো বাস্তব issue সমস্যা।
মানবাধিকারের দিক থেকে এটা একটা বড় step পদক্ষেপ, কিন্তু বাস্তবে প্রশাসন কতটা manage সামলাতে পারবে?
আমি জানতে চাই, যারা এখন বৈধ হবে, তারা কি পরে নাগরিকত্ব পাবে? নাকি শুধু কাজের permit অনুমতিপত্র?
অনেক দেশের মতো আবেগ ছাড়া policy নীতি করলে এমন সিদ্ধান্তই আসবে। ইউরোপের জন্য এটা আদর্শ example উদাহরণ।