‘লভ জিহাদ শেষ, একটাই বিয়ে’: মালদহে অমিত শাহের নির্বাচনী আহ্বান
মালদহের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট সুরে ঘোষণা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে new planটি কার্যকর হবে: love jihad এবং land jihad শেষ করা হবে, আর সকলে একটি বিয়েতে বাধ্য থাকবে। তাঁর কথায়, 'চারটে বিয়ে এখন শেষ—এ বার বাংলায় সকলে একটাই বিয়ে করবে।' এই ঘোষণা শুধু আইনি decision নয়, এটি সমাজের গভীরে জড়িয়ে থাকা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রশ্নের উপর একটি স্পষ্ট political statement ।
শাহ আরও বলেছেন, উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের দুয়ার খোলা হবে, কিন্তু বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে corruption ও mafia rule এর অভিযোগ তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, 'আপনার গুন্ডারা বোমা ফেলুক, কিন্তু বাংলার মানুষ এ বার বোমার জবাব ব্যালটে দেবে।' এই মন্তব্যে নির্বাচনী ভায়োলেন্স ও রাজনৈতিক public trust হারানোর আশঙ্কা স্পষ্ট।
কৃষি ও অবকাঠামোর ক্ষেত্রেও শাহ সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরেছেন। মালদহের আম নষ্ট হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, গুজরাত থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের বাজার সুরক্ষিত রাখে, কিন্তু এখানে ঠিকমতো cold storage না থাকায় ফল পচে যাচ্ছে। এটি শুধু কৃষকের ক্ষতি নয়, এটি রাজ্যের অর্থনৈতিক potential নষ্ট করা।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে ৫ মে ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর ইউসিসি চালু করা হবে, যা কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশের নাগরিক আইনের কাঠামোতে প্রভাব impact । এটি শুধু বিজেপির নীতি নয়, এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদের একটি কেন্দ্রীয় ideology । তৃণমূলের বিরুদ্ধে 'কাটমানি' ও 'গুন্ডারাজ' এর অভিযোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে রাজনৈতিক pressure ।
শাহের ভাষণ শুধু একটি নির্বাচনী র্যালির অংশ নয়, এটি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঘোষিত vision । এখানে স্পষ্ট হয়েছে যে রাজনীতি শুধু ক্ষমতা নয়, এটি সংস্কৃতি, আইন ও সামাজিক আচরণকে পুনর্গঠনের attempt । বাংলার মাটি এখন একটি বৃহত্তর জাতীয় রাজনৈতিক contest এর অঙ্গনে পরিণত হয়েছে।
একটা বিয়ে আইন করলেই হবে না, কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে? কোন legal framework আইনি কাঠামো থাকবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি।
আমরা আম চাষিরা বছরের পর বছর ধরে ক্ষতির মুখে। কিন্তু কেউ কোনোদিন আসেনি। এখন নির্বাচনের আগে হঠাৎ আমের কথা মনে পড়ল? sudden concern হঠাৎ উদ্বেগ দেখিয়ে কি ভোট পাওয়া যায়?
‘লভ জিহাদ’ নামটা নিজেই কি সাম্প্রদায়িক tension তানাপানার সৃষ্টি করে না? এটা কি শুধু রাজনৈতিক tool হাতিয়ার?
ইউসিসি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে কিন্তু কেউ বলছে না যে এটি কীভাবে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আনা হবে। social harmony সামাজিক সম্প্রীতি কি বিপন্ন হবে?
৫ মে ক্ষমতা হাতে নেবে? এটা তো এখনই বলে ফেলা হচ্ছে যেন সরকার পাল্টানো হয়েই গেছে। এটা কি নির্বাচনী psychological pressure মানসিক চাপ?
গুন্ডারাজ, কাটমানি—এসব অভিযোগ সব দলের বিরুদ্ধেই আছে। শুধু এক দলকে আক্রমণ করলে কি political balance রাজনৈতিক ভারসাম্য ফিরবে?