লেবাননে নিহত বাংলাদেশি নারীর মরদেহ ফেরানো নিয়ে সরকারের চ্যালেঞ্জ
লেবাননে চলমান যুদ্ধে নিহত এক বাংলাদেশি নারীর মরদেহ এখনও দেশে আনা যাচ্ছে না, কারণ অঞ্চলে চলছে তীব্র risk । পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধারের কাজে বাধা রয়েছে, কিন্তু সরকার সর্বোচ্চ effort চালাচ্ছে যাতে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহটি দেশে ফিরানো যায়। এই ঘটনাটি অনেকের মনে নিয়েছে গভীর sadness এবং বিদেশে কাজ করা শ্রমিকদের নিরাপত্তার issue আবার উঠে এসেছে।
নিহত নারীর বাড়ি ফরিদপুরে। তিনি লেবাননে একটি পরিবারের সঙ্গে কাজ করতেন, হামলায় সেই পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছেন। এ পর্যন্ত লেবাননে অষ্টম বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনিই প্রথম woman । প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, মৃতের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন তিনি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি sympathy জানিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে contact করেছে।
লেবাননে আটকে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদ অবস্থানে সরানো হচ্ছে। যারা দেশে ফিরতে চান, তাদের জন্য বিশেষ arrangement করা হচ্ছে। কিছু শ্রমিককে ইতিমধ্যে চার্টার ফ্লাইটে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে ফেরা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য কর্মসংস্থানের plan চলছে, যাতে তারা পুনরায় জীবিকা গড়ে তুলতে পারেন।
এই ঘটনা বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ, কারণ অস্থির অঞ্চলে কাজ করা হাজার হাজার শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় responsibility । প্রবাসীদের প্রতি সরকারের এই সাড়া কিছুটা আশার আলো জোগালেও, অনেকে মনে করছেন আগে থেকেই সতর্কতা এবং সুরক্ষা measures নেওয়া হওয়া উচিত ছিল। এখন প্রশ্ন উঠছে, আরও কতজন আটকে আছেন এবং তাদের নিরাপদে ফেরানো কতটা দ্রুত সম্ভব হবে।
তবে একটি মরদেহ ফিরিয়ে আনতে বিলম্ব হওয়ায় পরিবার এবং এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সরকারের উপর চাপ বাড়ছে, কারণ প্রতিটি মানুষের মরদেহ ফিরিয়ে আনা কেবল আইনি ব্যাপার নয়, মানবিক দায়বদ্ধতাও বটে। প্রতিমন্ত্রী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব decision নেওয়ার আশ্বাস দিলেও, অনেকে মনে করছেন কাজের গতি আরও বাড়ানো দরকার।
একজন নারী নিহত হওয়ায় বিষয়টা আরও গভীর impact প্রভাব ফেলেছে। পরিবারের কথা ভাবলে মন খারাপ হয়।
যে মহিলা কাজ করতে গিয়েছিলেন, তার মরদেহ ফেরাতে এত delay বিলম্ব কেন? এটা মানবিক crisis সংকট।
সরকার যদি আগে থেকেই warning সতর্কতা দিত, তাহলে হয়তো কিছু মানুষ সেখানে না গিয়ে বেঁচে যেতেন।
লেবাননে আটকে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য চার্টার ফ্লাইট ঠিক আছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কী support সমর্থন দেবে সরকার?
বিদেশে কাজে যাওয়া মানুষগুলো শুধু আয়ের জন্যই যায় না, ঘরের আশা-আশঙ্কা নিয়েও যায়। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত।
প্রতিমন্ত্রী বলছেন চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু কী ধরনের action পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সেটা স্পষ্ট নয়।