একই প্ল্যাটফর্মে চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক ও জেমিনি একত্রিত
চ্যাটজিপিটি, ডিপসিক এবং জেমিনি—এই তিনটি শীর্ষস্থানীয় AI models এখন থেকে একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ। বাংলাদেশের এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম ‘রাইজ’ এই মডেলগুলি একত্রিত করেছে, যাতে ব্যবহারকারীরা আর separate subscriptions না নিয়ে সর্বোচ্চ কার্যকারিতা পেতে পারেন। এটি না শুধু সময় বাঁচাবে, বরং খরচের চাপও কমাবে। প্ল্যাটফর্মটি মূলত শিক্ষার্থী, কর্মজীবী এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।
রাইজ এখন থেকে ব্যবহারকারীদের একটি অ্যাপের মধ্যে coding , writing , গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনমতো এআই মডেল বেছে নেওয়ার সুযোগ দেবে। এই মাল্টি-মডেল সিস্টেমের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি হয়ে উঠবে আরও user-friendly এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ। এমনকি যাদের রাইজ অ্যাকাউন্ট নেই, তারাও গেস্ট হিসেবে affordable packs কিনে সেবা নিতে পারবেন।
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার ফ্রি টোকেন দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, ১০০ টাকা থেকে শুরু হওয়া প্যাকের মাধ্যমে নিয়মিত সেবা নেওয়া যাবে। এসব প্যাকের মধ্যে high-capability প্রো মডেলগুলির অ্যাক্সেসও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হবে বড় সুযোগ।
বাংলালিংকের চিফ ডিজিটাল অফিসার গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো সেরা এআই টুলগুলো সবার কাছে সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করে তোলা। তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সীমার মধ্যে থাকতে চায় না। রাইজ তাদের সেই freedom দিচ্ছে যাতে তারা আরও দক্ষতার সঙ্গে এআই ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরি করতে পারে।’
২০২৪ সালে চালু হওয়া এই প্ল্যাটফর্মটি খুব দ্রুতই বহুমাত্রিক সেবায় পরিণত হয়েছে। টেলকো-নিরপেক্ষ হওয়ায় যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকেই রাইজ ব্যবহার করা যায়। এটি গ্রামীণ ও দূরবর্তী এলাকার ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে significant । বাংলাদেশে এআই প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে এমন সেবা হতে পারে ডিজিটাল transformation ঘটানোর অন্যতম চাবিকাঠি।
১০০ টাকায় প্রো মডেলের অ্যাক্সেস? এটা সত্যি হলে game-changer গেম-চেঞ্জার হয়ে যাবে।
আলাদা সাবস্ক্রিপশনের ঝামেলা নেই—এটাই সবচেয়ে বড় relief স্বস্তি। আগে প্রতিটা টুলের জন্য আলাদা অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড, বিল—মাথা ঘুরে যেত।
গেস্ট এক্সেস দেওয়া মানে আসলে ডেমো দেখানো। এরপর আস্তে আস্তে পেইড প্ল্যানে lock-in বাধ্য করা হবে। টেলিকম কোম্পানির স্ট্র্যাটেজি তো এটাই।
চ্যাটজিপিটি আর জেমিনি তো চেনা নাম, কিন্তু ডিপসিক কী কাজে লাগে? একটা use case ব্যবহারের উদাহরণ দিলে ভালো হত।
এআই এখন শুধু টেক জগতের নয়, স্কুলের পিটিএ মিটিংয়েও আলোচনার বিষয়। এত সহজ অ্যাক্সেস পেলে ডিজিটাল বৈষম্য কমবে তো?
ফ্রি টোকেন দিলেও প্রো টুলের জন্য শেষমেশ পয়সা দিতে হবে। এটা শুধু চালু করার কৌশল। কিন্তু যদি মান ভালো হয়, তাহলে পেইড প্ল্যান নেওয়াও যুক্তিসঙ্গত।