মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন
মধ্যপ্রাচ্যে long-term stability ফিরিয়ে আনতে রাশিয়া এবার মধ্যস্থতার পাশ নিয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে phone call করে এই initiative নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ক্রেমলিনের তরফে বলা হয়েছে, এই region শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাশিয়া সব ধরনের support দিতে প্রস্তুত।
ইসলামাবাদে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক talks যখন কোনো breakthrough করতে পারেনি, তখনই পুতিনের এই পদক্ষেপ বিশেষ significance হয়ে দাঁড়িয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের conflict সমাধানে তাঁরা political solution চান এবং দ্রুত যেকোনো ধরনের mediation করতে তৈরি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সময়টি রাশিয়ার জন্য কূটনৈতিকভাবে কৌশলগত opportunity । ইউক্রেন যুদ্ধে আন্তর্জাতিক pressure বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে মস্কো মধ্যপ্রাচ্যে নিজের influence ধরে রাখতে চাইছে। এই আলোচনা শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং পুরো ভূ-রাজনীতিকেই নতুন রূপ দিতে পারে।
ইরানের নতুন সরকারও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক strengthen করার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পুতিনের প্রস্তাব কেবল একটি gesture নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট strategy হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার claim করলেও আসল লক্ষ্য হতে পারে মার্কিন প্রভাবের বিকল্প হিসেবে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা।
যাইহোক, রাশিয়ার এই ভূমিকা কতটা কার্যকর হবে, সেটা নির্ভর করছে কতটা trust তারা আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কাছে তৈরি করতে পারে। এখনও পর্যন্ত মস্কো কখনো যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি নিরপেক্ষ mediator হিসেবে পরিচিত নয়। তাই এই announcement প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটাই দেখার।
এই announcement ঘোষণা শুধু কূটনৈতিক একটা খেলা না হলে ভালো হত। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি এলে সবার ভালো।
রাশিয়া এখন যা করছে, তা আসলে মার্কিন influence প্রভাব কমানোর কৌশল। শান্তি নয়, শক্তির ভারসাম্য বদলের চেষ্টা।
কিন্তু ইউক্রেনে যুদ্ধ চালানো রাশিয়া কীভাবে peace শান্তি আনবে? এতে আসলে কতটা credibility বিশ্বাসযোগ্যতা থাকতে পারে?
ইরান আর রাশিয়া একে অপরের সঙ্গে কাছাকাছি হচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র বাইরে। এটা আসলে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন-এর লক্ষণ।
মধ্যস্থতা করতে হলে প্রথমে neutrality নিরপেক্ষতা দেখাতে হয়। রাশিয়া কি সেটা করতে পারবে? সন্দেহ আছে।
সব দেশই বলে শান্তি চায়, কিন্তু কাজে কি সেই commitment প্রতিশ্রুতি ফুটে ওঠে? সময় বলবে।