কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কৃপালপুর গ্রামে মঙ্গলবার কৃষক কার্ড বিতরণের মাধ্যমে একটি নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগের সূচনা হয়েছে। আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, এ প্রক্রিয়ায় political consideration বা irregularity করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, কৃষকদের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের ভিত্তি হবে transparency ও trust ।
এই initiative বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে দেশের ১০টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান virtually এর উদ্বোধন করেন। কার্ড প্রদানকালে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে কলুরভিটা মাঠে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে আইনমন্ত্রী ছিলেন প্রধান অতিথি।
উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ৫৯৮ জন farmer এই দিনে তাদের কার্ড গ্রহণ করেন। কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের benefit পৌঁছে দেওয়া হবে যেমন কৃষি ঋণ, বীজ সহায়তা এবং বাজারজাতকরণে support । বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানান সরকার।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, কার্ড বিতরণের এই প্রক্রিয়া হবে monitoring সহকারে। কোনো ভুয়া দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং কার্ড পাওয়ার জন্য কোনো middleman বা দালালের প্রয়োজন নেই।
সরকারের তরফ থেকে এটি স্পষ্ট করা হয়েছে, এই পদক্ষেপ কৃষকদের livelihood সহজ করতে এবং কৃষি খাতে investment বাড়াতে সাহায্য করবে। কার্ড প্রকল্পটি দেশজুড়ে সফল হলে nationwide পর্যায়ে চালু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনিয়ম না হওয়ার claim দাবি সব সময় করা হয়, কিন্তু ভূমি পর্যায়ে কী হয় সেটা আলাদা কথা।
আগের সরকারের কথা আবার কেন এনে comparison তুলনা করছেন? কাজ করুক, সেটাই যথেষ্ট।
আমার বাবা কৃষক, তিনি এই কার্ড পেলে ঋণের জন্য pressure চাপ কমবে।
ভার্চ্যুয়াল inauguration উদ্বোধন হয়েছে, কিন্তু মন্ত্রী নিজে উপস্থিত হয়ে বিতরণ করেছেন—একটু বাস্তব সংযোগ আছে।
কার্ড পেতে গেলে কি আবেদনপত্র, আধার কার্ড, জমির কাগজ সব লাগবে? documentation কাগজপত্র জটিল হলে কৃষক পিছিয়ে যাবে।
মধ্যস্বত্বভোগী না রাখার promise প্রতিশ্রুতি ভালো, কিন্তু গ্রামে কে না জানে তারা ছাড়া কিছু হয় না!