ইরান-মার্কিন আলোচনা ব্যর্থ, পুতিনকে জানালেন পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান new ফোনকথায় রাশিয়ার প্রধান নেতা ভ্লাদিমির পুতিনকে পাকিস্তানে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হওয়া শান্তি আলোচনার result জানিয়েছেন। এই আলোচনা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, আর এর পেছনে pressure তৈরির দায় দেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘আধিপত্যবাদী মনোভাব’ এবং ‘দ্বৈত নীতি’-র ওপর। ইরান ক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক সমঝোতায় risk তৈরি করছে বলে তাঁর মন্তব্য।
পেজেশকিয়ান জানান, ইরান একটি fair এবং ভারসাম্যপূর্ণ বোঝাপড়ার জন্য প্রস্তুত, যা অঞ্চলে peace ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করেন, ইরানের national interest এবং জনগণের অধিকার অটুট থাকতে হবে—এটাই তাঁদের ‘রেড লাইন’। তিনি আরও বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র international law মানে, তবে একটি বৈধ চুক্তি সম্ভব।
এদিকে, ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ইসলামাবাদে আলোচনার নেতৃত্ব দেওয়ার পর ফিরে বলেছেন, তাঁদের কোনো threat মানা হবে না। তিনি বলেন, ‘তারা লড়লে আমরাও লড়ব। তারা যুক্তি দিলে আমরাও যুক্তি দিয়ে সাড়া দেব।’ ইরান কিছু constructive প্রস্তাব করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, যার জেরে আলোচনায় কিছুটা progress হয়েছে।
গত কয়েক দিনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে naval blockade ঘোষণা করেছেন এবং ইরানি জাহাজগুলোর টোল আদায়ের কথাও বলেছেন। তিনি warning দিয়েছেন যে, মার্কিন জাহাজে হামলা হলে কঠোর response হবে। এই ঘোষণার পর বিশ্ব market তেলের দামে ঢেউ উঠেছে, কারণ হরমুজ প্রণালী বিশ্বের তেল পরিবহনের একটি কৌশলগত পথ।
এই ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ভারসাম্যের ওপর impact ফেলছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয় নয়, এটি আঞ্চলিক শক্তি ও বৈশ্বিক economy জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে। রাশিয়া এবং পাকিস্তানের মতো দেশগুলি এখন কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে, কিন্তু কোনো টেকসই solution আসতে হলে সব পক্ষকেই আন্তরিকতার পরীক্ষা দিতে হবে।
মার্কিন blockade অবরোধ তেলের দাম বাড়াবে, আর তার ভার বহন করবে সাধারণ মানুষ। এটা রাজনীতি নয়, এটা মানবিক সংকট।
ইরান বারবার fair deal ন্যায্য চুক্তি চাইছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র শুধু হুমকি দিচ্ছে। এটা কি আসলেই শান্তি চাওয়া?
পুতিন জানতে চাইলেন আলোচনার ফলাফল? এটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটা ভূ-রাজনৈতিক মিত্রতার অংশ।
গালিবাফের কথা ‘যুক্তির জবাব যুক্তি দিয়ে’ শুনে ভালো লাগল। কিন্তু হুমকির escalation উত্তেজনা কমানো জরুরি।
ট্রাম্প আবার হরমুজে naval force নৌবাহিনী নিয়ে হট করে এগিয়ে যাচ্ছেন। আগেও এমন করেছেন, পরিস্থিতি তখনও বেগ পেয়েছিল।
আন্তর্জাতিক আইন মানবে কে? যে দেশ নিজে তার লঙ্ঘন করে তার কাছে অন্য দেশ কেন মাথা নোয়াবে? trust আস্থা কোথায়?