টেলিনরের সিইও: বাংলাদেশে ডিজিটাল উন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে
বাংলাদেশের ডিজিটাল transformation নিয়ে টেলিনর গ্রুপের সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে স্বচ্ছ commitment দিয়েছেন। এই বৈঠকে বাংলাদেশে তাদের প্রায় তিন দশকের উপস্থিতির কথা স্মরণ করে ফাসমার বলেন, দেশটি টেলিনরের জন্য এশিয়ায় একটি strategic হাব হয়ে উঠেছে।
টেলিনর ও গ্রামীণফোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন, যেখানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সহ ভবিষ্যতের দক্ষতা গড়ে তোলা নিয়ে priority আরোপ করা হয়। এগুলো না শুধু কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে, বরং সরকারের ২০৩৪ সালে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার target ভূমিকা রাখবে।
টেলিনর তাদের investment অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে সংযোগ সম্প্রসারণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে। গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান-সহ কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
উভয় পক্ষই মত দিয়েছে যে কেবল প্রযুক্তি নয়, একটি পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগবান্ধব নিয়ন্ত্রক environment ডিজিটাল অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়ার এই অভিন্ন vision নিয়ে টেলিনর ও গ্রামীণফোন বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনাতে trust রাখে।
একটা বহিরাগত কোম্পানি যে আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যতের ওপর trust আস্থা রাখছে, সেটা নিজেদের নীতি আর পরিবেশ নিয়ে ভাবার ডাকনাম।
এআই দক্ষতা গড়ার কথা বলছে, কিন্তু সরকারি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কি সত্যিই quickly দ্রুত এগোচ্ছে? বাস্তবতা আর ঘোষণার ফারাক কমাতে হবে।
কৌশলগত গুরুত্ব বলতে আসলে কী বোঝায়? শুধু বাজারের potential সম্ভাবনা নাকি আসল অংশীদারিত্ব?
২০৩৪-এর লক্ষ্য নিয়ে এত আশাবাদী হওয়া ঠিক আছে, কিন্তু বিনিয়োগের এই flow প্রবাহ কি স্থানীয় উদ্ভাবনকে ঠেলে দেবে না?
বিনিয়োগের কথা শুনতে ভালো লাগে, কিন্তু নিয়ন্ত্রক pressure চাপ কমাতে হবে বললে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে?
টেলিনর যদি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হয়, তবে লোকাল ট্যালেন্ট তৈরির জন্য তাদের support সমর্থন কতটা হবে সেটা দেখা যাক।