আমাজন গ্লোবালস্টার অধিগ্রহণ করে কক্ষপথের প্রতিযোগিতা ত্বরান্বিত করল
গুগল এবং অ্যাপলের পর এবার আমাজনও স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটির প্রতিযোগিতায় এক বড় পদক্ষেপ নিল। আমাজন ঘোষণা করেছে যে, এটি satellite company গ্লোবালস্টারকে 11.57 বিলিয়ন মার্কিন ডলারে অধিগ্রহণ করবে। এই সাফল্যের মাধ্যমে আমাজন ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন স্টারলিঙ্কের বিপক্ষে তার market position জোরদার করতে চায়।
স্টারলিঙ্ক ইতিমধ্যে 10,000টি উপগ্রহের একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এবং 9 মিলিয়নের বেশি গ্রাহক অর্জন করেছে। এই বিশাল পরিসরে পৌঁছানো আমাজনের জন্য একটি গুরুতর challenge হবে। তবে গ্লোবালস্টারের অধিগ্রহণ সেই ব্যবধানটা কিছুটা কমাতে পারে। গ্লোবালস্টারের দুই ডজন উপগ্রহ আমাজনের 200টির বেশি উপগ্রহের নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে। আর 2029 সালের মধ্যে মোট 3,200টি উপগ্রহ মহাকাশে স্থাপন করার লক্ষ্য আমাজন নির্ধারণ করেছে।
গ্লোবালস্টারের নেটওয়ার্ক মূলত মোবাইল ডিভাইসে সরাসরি কম ডেটার সংযোগ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, ভবিষ্যতে টাওয়ারের প্রয়োজন ছাড়াই ফোনগুলি সরাসরি উপগ্রহের সাথে সংযুক্ত হতে পারবে। আমাজন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে 2028 সাল থেকে পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করছে। এদিকে, স্টারলিঙ্ক ইতিমধ্যেই টি-মোবাইলের মতো কোম্পানির সাথে অংশীদারিত্বে একই ধরনের পরিষেবা নিয়ে কাজ করছে। এই ধরনের সরাসরি সংযোগ প্রযুক্তি গ্রাহকদের জন্য একটি বড় advantage হতে পারে, বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকায়।
গ্লোবালস্টার বর্তমানে অ্যাপলের ইমার্জেন্সি এসওএস এবং ফাইন্ড মাই বৈশিষ্ট্যগুলি চালাচ্ছে। আমাজনের দ্বারা অধিগ্রহণের পরেও অ্যাপলের সাথে এই সেবা চুক্তি অপরিবর্তিত থাকবে। 2024 সালে অ্যাপল 1.5 বিলিয়ন ডলার গ্লোবালস্টারে বিনিয়োগ করেছিল। তবে অধিগ্রহণের পর অ্যাপলের এই মালিকানা কীভাবে প্রভাবিত হবে, তা এখনও অস্পষ্ট। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে অ্যাপল এবং আমাজনের মধ্যে strategic ties আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
অধিগ্রহণের ঘোষণার পর গ্লোবালস্টারের শেয়ার 10 শতাংশ বেড়েছে। আমাজন জানিয়েছে যে ডিলটি সম্পন্ন হতে নিয়ন্ত্রণমূলক অনুমোদন এবং নির্দিষ্ট উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক এই অধিগ্রহণ নিয়ে "positive outlook " প্রকাশ করেছে। এই সাফল্যের মাধ্যমে আমাজনের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাজারে অবস্থান শক্তিশালী হবে, যদিও স্টারলিঙ্কের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করা সহজ হবে না।
11.57 বিলিয়ন ডলার? এটা কি সত্যিই একটা ছোটখাটো কোম্পানির জন্য বেশি না? আমাজন কি শুধু ভবিষ্যতের market entry বাজারে প্রবেশ কিনছে?
গ্লোবালস্টারের উপগ্রহ খুব পুরনো। আমাজন কি সত্যিই এগুলো ব্যবহার করবে, নাকি শুধু ফ্রিকোয়েন্সি আর লাইসেন্সের জন্য কিনছে? এটা একটা বড় technical risk প্রযুক্তিগত ঝুঁকি।
অ্যাপল যদি আগেই বিনিয়োগ করে থাকে, তবে তাদের সম্পর্ক কি এখন আরও জটিল হবে না? একই প্রযুক্তি নিয়ে দুই প্রতিযোগী কোম্পানির সাথে যুক্ত থাকা কি সম্ভব?
স্টারলিঙ্ক ইতিমধ্যে 9 মিলিয়ন গ্রাহক পেয়ে গেছে। আমাজন কত দ্রুত তাদের ধরতে পারবে? এতে গ্রাহকদের জন্য service cost সেবার মূল্য কমবে আশা করা যায়।
2028 সালে পরিষেবা চালু? এখন থেকে তো আরও 4 বছর। আমাজন কি প্রযুক্তি আর নিয়ন্ত্রণমূলক অনুমোদনের pressure চাপ সামলাতে পারবে? এটা সহজ হবে না।
মহাকাশে আরও বেশি উপগ্রহ মানে আরও বেশি মহাকাশ আবর্জনা। কেউ কি পরিবেশগত impact প্রভাব নিয়ে ভাবছে?