কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তি: প্রবেশিকা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, দ্বৈত কাঠামো আসছে
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির নিয়মে বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী 2027-28 শিক্ষাবর্ষ থেকে সমস্ত মাস্টার্স প্রোগ্রামে new planটি কার্যকর হবে, যার মধ্যে সকল প্রার্থীর জন্য entrance exam বাধ্যতামূলক হবে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জাতীয় শিক্ষা নীতির নির্দেশিকা মেনে, যা উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং ভর্তি প্রক্রিয়াকে আরও ন্যায্য করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছে।
এখন থেকে তিন বছরের স্নাতক ডিগ্রি সম্পূর্ণ করা পড়ুয়ারা দুই বছরের মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হবেন, আবার চার বছরের ডিগ্রি থাকলে এক বছরের কোর্সে direct entry পাবেন। এই দ্বৈত কাঠামো শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পথে এগোনোর flexibility দেবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, ল্যাটারাল এন্ট্রি বা আন্তঃকোর্স স্থানান্তর থাকছে না, এবং দুটি ডিগ্রি সম্পূর্ণ separate হিসেবে গণ্য হবে।
ভর্তির মেধাতালিকা তৈরি করা হবে প্রবেশিকা পরীক্ষা ও স্নাতক বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের সমান গুরুত্ব দিয়ে। অন্যদিকে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থী বা আগের বছরের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে শুধু প্রবেশিকা পরীক্ষার ভিত্তিতেই নির্বাচন করা হবে। পঞ্চম সেমিস্টারের পরীক্ষা দেওয়া প্রার্থীরাও পরীক্ষার আওতায় আসবেন, এবং চূড়ান্ত ফলাফলের আগেই provisional admission প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আসন বণ্টনে 80:20 অনুপাত বজায় থাকবে—দুই বছরের কোর্সে 80 শতাংশ এবং এক বছরের কোর্সে 20 শতাংশ। তবে দুই বছরের কোর্সে আসন ফাঁকা থাকলে সেগুলি এক বছরের কোর্সে স্থানান্তর করা যাবে। এই পদক্ষেপ decision নিয়েছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, কৃষি, গৃহবিজ্ঞান ও সঙ্গীত বিভাগের যৌথ ফ্যাকাল্টি কাউন্সিল, এবং এটি শীঘ্রই সিন্ডিকেটের কাছে পেশ করা হবে।
এছাড়া, কলা ও বাণিজ্য বিভাগের জন্য এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অনুরূপ কাঠামো থাকার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। স্নাতক স্তরেও নতুন ভর্তি পদ্ধতি আসছে, যেখানে নম্বর গণনায় সেরা চারটি বিষয়ের পাশাপাশি অনার্স বিষয়টিকে দ্বিগুণ গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টালে যুক্ত করার জন্য উচ্চশিক্ষা দফতরে পাঠানো হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলি শিক্ষার্থীদের জন্য স্পষ্টতা আনবে, কিন্তু কিছু প্রার্থীর মধ্যে pressure বাড়াবে নতুন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য।
নতুন নিয়ম ভালো, কিন্তু প্রবেশিকা পরীক্ষার সিলেবাস কী হবে? সেটা না জানলে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন।
চার বছরের ডিগ্রি থাকলে এক বছরের মাস্টার্স? এটা সত্যিই time-saving সময় বাঁচাবে। কিন্তু পাঠ্যক্রম কি পর্যাপ্ত হবে?
আমরা তো পঞ্চম সেমিতে—provisional অস্থায়ী ভর্তি হবে কীভাবে? রেজাল্ট আসার আগে কোন নম্বর ব্যবহার হবে?
অনার্স বিষয়ে দ্বিগুণ নম্বর? এটা তো স্পষ্ট support সমর্থন, কিন্তু আগের নিয়মে সমান মাপকাঠি ছিল না।
ল্যাটারাল এন্ট্রি নিষিদ্ধ করা হলে flexibility নমনীয়তা কমে যাবে। কিছু গবেষণা ছাত্রের জন্য এটা সমস্যা হতে পারে।
নতুন ব্যবস্থা মান বাড়াবে, কিন্তু cost খরচ আরও বাড়বে—কোচিং, প্রস্তুতির চাপে?