পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিএসটি ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে science ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আশা দুটোই ছিল স্পষ্ট। ১০ এপ্রিল, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পিবিপ্রবি) এবং পিরোজপুর সরকারি মহিলা কলেজে এই exam নেওয়া হয়। এটি ছিল জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা, যার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভিত্তিতে বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি নিশ্চিত করা।
পরীক্ষায় attendance ছিল ৭১ শতাংশ, যা শিক্ষার্থীদের আগ্রহের পরিমাপক। একইদিন বিকেলে আর্কিটেকচারের পরীক্ষা হয়, যেখানে উপস্থিতি ছিল ৪৬ শতাংশ। ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ করতে গুচ্ছ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা একটি একক পরীক্ষার মাধ্যমে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। এ পদ্ধতি তাদের cost ও time দুটোই কমায়।
পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে বিভিন্ন support ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। হেল্প ডেস্ক, জরুরি মেডিকেল সেবা, বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা ছিল। এছাড়া, রোল নম্বর ও কেন্দ্রের নির্দেশনা সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য দৃশ্যমান স্থানে বোর্ড ঝুলানো হয়েছিল। এসব ব্যবস্থায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে satisfaction ছিল সুস্পষ্ট।
পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের pressure কমাচ্ছে এবং ভর্তি প্রক্রিয়াকে করছে আরও ন্যায্য। তিনি সম্পৃক্ত সকলকে appreciation জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো সহযোগিতার আহ্বান জানান।
সারাদেশে মোট ২১টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যাতে প্রায় ডেড় লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর আগে ‘সি’ ইউনিট (মানবিক) এবং ‘বি’ ইউনিট (বাণিজ্য) এর পরীক্ষা হয়েছিল। গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া এখন দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ initiative হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শিক্ষার সুযোগকে করছে আরও সমান।
ভর্তি পরীক্ষার এই গুচ্ছ পদ্ধতি সত্যিই একটা relief রিলিফ, বিশেষ করে গ্রামের ছেলেমেয়েদের জন্য।
আমি পরীক্ষাতে ছিলাম, সব কিছু খুব organized সুন্দরভাবে সাজানো ছিল। রোল নম্বর খুঁজতে কোনো ঝামেলা হয়নি।
অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামাগার দেওয়া হয়েছে, এটা খুব thoughtful চিন্তাশীল পদক্ষেপ।
বিজ্ঞান ইউনিটে এত ভালো উপস্থিতি? এটা দারুণ খবর, মানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম curious কৌতূহলী।
আর্কিটেকচার পরীক্ষায় ৪৬% উপস্থিতি—এর কারণ কী concern চিন্তার বিষয় না?
গুচ্ছ ভর্তি কতটা impact প্রভাব ফেলবে গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের উপর, তা এখনো দেখা বাকি।