বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুন কবীরের হুমকি: অমিত শাহ ও মমতাকে চ্যালেঞ্জ
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত মসজিদ প্রকল্প নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। 'আম জনতা উন্নয়ন পার্টি'-র চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর সরাসরি challenge ছুড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর দাবি, ১৩ বিঘা জমিতে যে mosque construction চলছে, সেখানে কেউ বাধা দিলে তাকে 'লাশ' করে দেওয়া হবে। এই threat দেশজুড়ে চাপ তৈরি করেছে।
গত ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ foundation stone স্থাপনের পর থেকেই এই প্রকল্পে বাধা আসছে বলে অভিযোগ করেন হুমায়ুন। তিনি দাবি করেন, জমি কেনার সময় পুলিশ বিক্রেতাদের fear দেখাচ্ছে। এছাড়া, এ পর্যন্ত ৮ কোটি টাকার বেশি donations জমা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এই funds নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।
হুমায়ুন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি বেঁচে থাকতে কেউ তাঁর জমিতে মসজিদ নির্মাণ আটকাতে পারবেন না। তিনি বলেন, "আমি কবরে যাওয়ার আগে ৫০টা কবর দেব। ওখানে না হয় বাবরি মসজিদ না হয়ে কবরস্থান হবে।" এই statement মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে concern তৈরি করেছে।
একইসঙ্গে, তিনি নিজেকে বিচারের আওতায় আনতে উদ্যোগী দাবি করেন। তিনি বলেন, "আমাকে গ্রেফতার করুন, প্রমাণ করুন আমি অন্যায় করেছি।" কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে হুমকি দেন, তাঁকে গ্রেফতার করলে প্রতীক জৈন এবং তাঁর স্ত্রীকেও গ্রেফতার করা হবে। এই claim আইনশৃঙ্খলা ও public order নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনা রাজ্য ও কেন্দ্রের রাজনৈতিক tension আরও বাড়িয়ে তুলেছে। হুমায়ুনের মন্তব্য শুধু একটি স্থানীয় ইস্যু নয়, বরং জাতীয় স্তরের security ও আস্থার প্রশ্নকে স্পর্শ করেছে। এখন দেখার, কী response দেবে কর্তৃপক্ষ এবং কী decision নেবে আইনী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
একজন মানুষ কীভাবে এমন threat হুমকি দিতে পারে? এটা কি আদৌ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করছে?
আমরা এখানকার মানুষ ভয়ে আছি। কেউ কী reaction প্রতিক্রিয়া দেবে জানি না, কিন্তু স্থানীয় peace শান্তি নষ্ট হচ্ছে।
এত money টাকা জমা হয়েছে বলে দাবি, কিন্তু কোথায় সেই funds তহবিল খরচ হচ্ছে? কেউ কি এটা খতিয়ে দেখবে?
হুমায়ুন নিজেকে গ্রেফতারের জন্য চ্যালেঞ্জ করছেন, কিন্তু কী evidence প্রমাণ আছে তাঁর বিরুদ্ধে? আইন কি সবার উপরে?
এই ধরনের statement বক্তব্য শুধু এক দলকে নয়, সমগ্র সমাজের trust আস্থা ভেঙে দেয়।
রাজনীতি আর ধর্মের মিশ্রণে সবসময়ই বিপদ। এখন কী action পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা দেখার।