মিরপুরে হারের হতাশা, বাংলাদেশ কি সামলাবে চাপ?
মিরপুরের উইকেটে রানের আশা করা হলেও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা strike rate না বাড়িয়ে খেলতে পারার কারণে হেরেছে ২৬ রানে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে হারের মুখ দেখল টাইগাররা। উইকেট সত্যিই ব্যাটার-বোলার উভয়ের জন্য সাহায্য করেছিল, কিন্তু top order ভেঙে যাওয়ায় দল চাপে পড়ে।
২১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর partnership গড়ে সাইফ হাসান ও লিটন কুমার দাস আশা জাগিয়েছিলেন। সাইফের ৫৭ রান এবং লিটনের ৪৬ রান গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ইনিংস বড় করতে না পারার regret রয়ে গেল। তাওহীদ হৃদয় ও আফিফের ধীরগতির জুটি রান তাড়ানোর pressure আরও বাড়িয়ে দেয়।
অধিনায়ক মিরাজ ৬ রানে বাজে শট খেলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। একমাত্র হৃদয় ধীরে ধীরে রান করে যুদ্ধ চালিয়ে যান, কিন্তু অন্যদের সাহায্য পাননি। এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সে public trust নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ফ্যানদের আশা ছিল ভালো, কিন্তু দল সেই expectation পূরণ করতে পারেনি।
আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের decision নেয় নিউজিল্যান্ড। শরিফুল ইসলাম দ্রুত উইকেট পেলেও হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং স্থিতিশীলতা এনেছিলেন। রিশাদের ঘূর্ণিতে উইল ইয়ং আউট হলেও নিকোলস ৬৮ রান করেন। ডিন ফক্সক্রফটের ফিফটি দলকে ২৪৭ রানে ঠেলে দেয়।
বাংলাদেশের বোলিং performance সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, কিন্তু ব্যাটিংয়ে ভরসা দেয়নি। আগামী ম্যাচে টপ অর্ডারকে plan ভালো করতে হবে। রান তাড়ানোর শুরুটা দ্রুত করা জরুরি। এই সিরিজে ম্যাচ জেতার chance আছে, কিন্তু কৌশল ও মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।
টপ অর্ডার যদি আবার ফেল করে, তাহলে middle order মিডল অর্ডার কিভাবে চাপ মোকাবিলা করবে?
উইকেট ভালো ছিল, কিন্তু ব্যাটারদের confidence আত্মবিশ্বাস নেই। এটা কি কোচিংয়ের issue সমস্যা?
২৪৭ রান ছোট টার্গেট না। কিন্তু আমরা যেভাবে উইকেট হারালাম, তাতে chase তাড়া করা অসম্ভব হয়ে গেল।
আফিফ আর হৃদয়কে দায়িত্ব নিতে হবে। শুধু লিটন-সাইফ নয়, অন্যদেরও support সমর্থন দরকার।
বারবার একই ভুল হচ্ছে। কবে শিখবে দল? pressure চাপ এলেই খেলা হারানো কি আমাদের reality বাস্তবতা হয়ে গেল?
বোলিং ভালো ছিল, কিন্তু ব্যাটিংয়ে balance ভারসাম্য নেই। একটা strategy কৌশল ঠিক করুক কোচিং স্টাফ।