ইরান যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ধাক্কার মধ্যে কে কে মুনাফা করল
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর risk তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৩.১ শতাংশে নামিয়েছে। এই সংকটে নিম্ন আয়ের দেশগুলো public trust হারাচ্ছে, আর জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। তবে এমন সংকটেও কিছু খাত মুনাফা করছে—বিশেষ করে যেগুলো অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কাজে লাগাতে পেরেছে।
ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগ ব্যাংকগুলো এই সুযোগে লক্ষাধিক ডলার আয় করছে। মর্গান স্ট্যানলি, গোল্ডম্যান স্যাকস এবং জেপি মর্গান চেজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো গত ত্রৈমাসিকে বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩ থেকে ২৯ শতাংশ বেশি মুনাফা করেছে। বিনিয়োগকারীরা ঘনঘন লেনদেন করায় market স্প্রেড বাড়ছে, যা মধ্যস্থতাকারী ব্যাংকগুলোর profit বাড়াচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা এই growth বন্ধ করে দিতে পারে।
অন্যদিকে, ক্রিপ্টো-ভিত্তিক পূর্বাভাস প্ল্যাটফর্ম পলিমার্কেট ইরান যুদ্ধ নিয়ে বাজি ধরার মাধ্যমে প্রতিদিন ১০ লাখ ডলারের বেশি আয় করছে। ফি কাঠামো পরিবর্তনের পর এপ্রিলে তাদের ফি আয় ২.১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। মাত্র ১ শতাংশ ব্যবহারকারী মোট মুনাফার ৮৪ শতাংশ নিয়েছে, যা নিয়ন্ত্রকদের pressure তৈরি করেছে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লেনদেন বন্ধের দাবিতে।
প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণা খাতও এগিয়ে রয়েছে। বিশ্বের অর্ধেকের বেশি দেশ সামরিক বাজেট বাড়িয়েছে, বিশেষ করে ন্যাটো দেশগুলো। এমএসসিআই ওয়ার্ল্ড অ্যারোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স ইনডেক্স গত মার্চ পর্যন্ত বার্ষিক ৩২ শতাংশ মুনাফার কথা জানিয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারের গড়ের অনেক উপরে।
এআই এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতও সুসময় পাচ্ছে। তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি) গত ত্রৈমাসিকে ৫৮ শতাংশ বেশি আয় করেছে। নতুন নীতি হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সৌর প্যানেল, পারমাণবিক চুল্লি এবং জ্বালানি রেশনের মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসঅ্যান্ডপি ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন ইনডেক্স ৭০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে—একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত যে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের মধ্যেও renewable পথে এগোচ্ছে।
যখন সাধারণ মানুষ জ্বালানির দামে হিমশিম খাচ্ছে, তখন ব্যাংকগুলো মুনাফা করছে? এটা কি moral নৈতিক?
পলিমার্কেটে যুদ্ধের উপর বাজি? মানুষের মৃত্যুকে গেম বানানো হচ্ছে। এটা ভয়ানক impact প্রভাব ফেলবে।
প্রতিরক্ষা খাতের মুনাফা বুঝতে পারছি, কিন্তু সেটা কি দীর্ঘমেয়াদে sustainable টেকসই হবে?
টিএসএমসি এত বেশি মুনাফা করছে কেন? আমেরিকার দিকে চোখ রাখলেই বোঝা যায়—তাদের রপ্তানি ১২৪% বেড়েছে। demand চাহিদা তৈরি করেছে বাজার।
নবায়নযোগ্য শক্তির উপর নতুন নীতি ভালো, কিন্তু সেগুলো কি quickly দ্রুত কাজে লাগবে?
যুদ্ধের সময় এআই এবং চিপ শিল্প বেঁচে যাচ্ছে—এটাই আসল ইতিহাস। প্রযুক্তি সহনশীল হয়ে উঠছে।