ইরানের এক ঘোষণাতেই ১০ ডলার কমল তেলের দাম
ইরানের একটি ঘোষণার তরঙ্গ ছুঁড়ে দিয়েছে বিশ্ব তেল বাজারে। হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য সম্পূর্ণ open রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে তেহরান। এই decision -এর পরপরই অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক price এক লাফে ১০ ডলার কমে গেছে—৯৮ ডলারের উপরে থাকা ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেলে ৮৮ ডলারে নেমে এসেছে।
হরমুজ প্রণালী হলো বিশ্বজুড়ে জ্বালানির supply এক কেন্দ্রীয় ধমনী। এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রবাহিত হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রণালীটি কার্যত বন্ধ করা হওয়ার পর থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল জ্বালানি crisis । তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে, এক সময় ১১৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল প্রতি ব্যারেলে।
উচ্চ তেলের দামের প্রভাব পড়েছিল সাধারণ people জীবনযাত্রার ব্যয়ে। পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি সারের সরবরাহ কমে যাওয়ায় খাদ্যদ্রব্য সহ অন্যান্য পণ্যের খরচও বেড়ে গিয়েছিল। তাই ইরানের এই নতুন move নিয়ে বিশ্বব্যাপী আশার আলো দেখা দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এই step -কে welcome জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এটি বিশ্ব market এবং ভূ-রাজনৈতিক tension উভয়কেই এখনও স্পর্শ করে রয়েছে।
দাম কমলে আমাদের দেশের জ্বালানি বিল কমবে তো? এই impact প্রভাব কি আমাদের বাজারেও দেখা যাবে?
হরমুজ খোলা মানে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপদ পথ—এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক trade বাণিজ্য আবার স্বাভাবিক হবে।
ট্রাম্প স্বাগত জানালেও অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন? এটা কি আসলে ভণ্ডামি না কূটনৈতিক pressure চাপ?
ভাবছি, যদি ইরান আবার হঠাৎ পথ বন্ধ করে দেয়? তখন কি তেলের risk ঝুঁকি আবার ফিরবে?
একটা decision সিদ্ধান্ত এত দাম কমাল—কত লোকের পকেটে এর প্রভাব পড়বে। কিন্তু কতদিন টিকবে?
যুদ্ধবিরতির নামে এটা হচ্ছে, কিন্তু আসল কারণ কি তেলের market বাজার ঠিক করা? রাজনীতি আর অর্থনীতি এখানে মিশে আছে।