সরফরাজের নেতৃত্বে আসছে পাকিস্তান
পাকিস্তান ক্রিকেট দল বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্ট ম্যাচের জন্য planটি নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। চলতি বছরের মার্চে decision নেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে টেস্ট দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। ২০১৭ সালে সরফরাজ ক্যাপ্টেন হিসেবে পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতানোর গৌরব এখনও public trust জাগায়। এবার তার কোচ হিসেবে ফিরে আসা দলের ভারসাম্য ও কৌশল নিয়ে নতুন pressure তৈরি করেছে।
পিসিবি ঘোষণা করেছে, আসাদ শফিক হবেন ব্যাটিং কোচ এবং উমর গুল হবেন বোলিং কোচ। তাদের প্রথম কাজ হবে বাংলাদেশ সফর, যেখানে ৩ মে ঢাকায় পা রাখবে পাকিস্তান। মিরপুরে ৮-১২ মে প্রথম টেস্ট এবং সিলেটে ১৬-২০ মে হবে দ্বিতীয় টেস্ট। ম্যাচগুলো আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ, ফলে result পয়েন্ট টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের পিচ সাধারণত স্পিন বোলারদের অনুকূল, তাই পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের ওপর risk বেড়েছে।
শান মাসুদকে অধিনায়ক করে ১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন মুখ আবদুল্লাহ ফাজাল, আজান আওয়াইস, আমাদ বাট এবং মুহাম্মাদ গাজি ঘোরি প্রথমবারের মতো টেস্ট স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। ঘোরি আগে একটি ওয়ানডে খেলেছেন, আর আমাদ ২০২০ সালে টি-২০ স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে নামেননি। এই সুযোগ তাদের ক্যারিয়ারের জন্য breakthrough হতে পারে। আবার, আবরার আহমেদ, আসিফ আফ্রিদি, কামরান গুলাম সহ সাত ক্রীড়াবিদকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফিরছেন সুইং বোলার মোহাম্মাদ আব্বাস, যিনি আগের সিরিজে ছিলেন না। তার ফিরে আসা পাকিস্তানের ফাস্ট বোলিং আক্রমণে support যোগ করবে। বাংলাদেশ সফর হবে নতুন কোচিং স্টাফের প্রথম পরীক্ষা। ফ্যানদের আগ্রহ বাড়ছে, কারণ আগের সিরিজগুলোতে পাকিস্তান পারফরম করতে ব্যর্থ হয়েছিল। এবার কি দল ফিরে পাবে আগের form ? সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বাংলাদেশের স্পিন জালে উইকেট বাঁচানো।
মিরপুরের পিচ আগের চেয়ে আরও ধীরে হয়েছে, এখন তো risk ঝুঁকি আরও বেশি
সরফরাজ ভাই ক্যাপ্টেন হিসেবে ভালো ছিলেন, কিন্তু কোচ হিসেবে pressure চাপ কম না
আব্বাস ফিরছে, এটা ভালো খবর, কিন্তু বাংলাদেশে ফাস্ট বোলারের role ভূমিকা সীমিত
ঘোরি উইকেট হল্ডার হিসেবে দারুণ, ওর chance সুযোগ পাওয়াতে খুশি
নতুন মুখ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কেন রোহাইল নাজিরকে বাদ? decision সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
বাংলাদেশ জিতলে পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে যাবে, তাই stake প্রতিযোগিতার মান বাড়বে