আইসিসির কাঠগড়ায় কানাডা ক্রিকেট, তদন্তে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ
আইসিসির কাঠগড়ায় কানাডা ক্রিকেট, তদন্তে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতি দমন ইউনিট আকসু (ACSU) কানাডা ক্রিকেটের বিরুদ্ধে উঠে আসা new allegations তদন্ত করছে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বশেষ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের একটি ম্যাচ নিয়ে উঠে আসা সন্দেহ, যেখানে বোলিং কৌশল এবং ফিল্ড পজিশনসহ বিভিন্ন decision নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এসব allegations প্রথম প্রকাশ্যে আসে কানাডার সিবিসিতে প্রচারিত ‘করাপশন, ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিকেট’ শীর্ষক একটি তথ্যচিত্রে। এতে দেখানো হয়, ম্যাচের পঞ্চম ওভারে ২২ বছর বয়সী অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়াকে বোলিংয়ে পাঠানো হয়, যদিও সে আগের ওভারে বেশি রান দিয়েছিল। ওই ওভারে pressure দেখানোর মতো কোনও চেষ্টা করা হয়নি, বরং ফিল্ড সেট করা হয়েছিল আক্রমণাত্মক নয় এমন ভাবে। এই incident নিয়ে আকসু তদন্ত শুরু করেছে।
আরেকটি separate investigation চলছে কানাডার তৎকালীন কোচ খুররম চৌহানের ফোন রেকর্ডিং ফাঁস হওয়ার পর থেকে। সেখানে বোর্ড সদস্যদের দাবি করতে শোনা যায় যে কিছু নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে দলে রাখার জন্য direct pressure দেওয়া হয়েছিল। সাবেক কোচ পুবুদু দাসনায়েকও অভিযোগ করেছেন, তাঁকে নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল, আর রাজি না হওয়ায় তাঁর চুক্তি বাতিল করার হুমকি দেওয়া হয়।
গত বছর থেকে ক্রিকেট কানাডা প্রশাসনিক অস্থিরতার মুখোমুখি। সাবেক সিইও সালমান খানের নিয়োগ ও অপসারণ নিয়ে বিতর্ক ছিল তীব্র। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ইতিহাস লুকানোর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের চুক্তি থেকে বাইরে রাখা হয়েছিল, এবং টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শুধু নামমাত্র ভাতায় তাঁদের support করা হয়েছিল।
আইসিসির নৈতিকতা ইউনিটের অন্তর্বর্তীকালীন জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ জানিয়েছেন, তাঁরা তথ্যচিত্রে উঠে আসা বিষয়গুলো নজরে রেখেছেন, তবে চলমান তদন্তের কারণে এখনই public comment করা সম্ভব নয়। আকসুর কাজ মূলত তথ্য সংগ্রহ, প্রতিরোধ ও শিক্ষা এবং তদন্তে কেন্দ্রিভূত। ক্রিকেটের integrity রক্ষায় এগুলো অপরিহার্য।
একটা দল যদি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলে, তাহলে তাদের খেলোয়াড়দের চুক্তি ছাড়া রাখা কী ধরনের সমর্থন?
বাজওয়াকে কেন ওই ওভারে বোলিংয়ে পাঠানো হলো? সে তো আগের দুই ওভারেই রান তুলিয়েছে। এটা কি আসলেই কোচের strategy কৌশল নাকি কিছু লুকোনো আছে?
আইসিসি যদি তদন্ত শুরু করে, তাহলে দোষীদের শাস্তি হবে কিনা সেটাই হলো বড় প্রশ্ন। আগের অনেক ঘটনায় তো শেষ পর্যন্ত কিছু হয়নি। public trust জনগণের আস্থা হারানো যাচ্ছে।
ক্রিকেট কানাডা এখন শুধু দল নয়, একটা সংস্থা হিসেবে টিকে থাকার লড়াই করছে। প্রতিটি level স্তরে অস্থিরতা।
আকসু যদি এই তদন্তে গায়ে খারাপ না করে, তাহলে অন্যান্য ছোট দেশগুলোর জন্য একটা ভালো পূর্বানুগ হবে।
ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে অভিযোগ আছে, কিন্তু প্রমাণ নেই বলে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই pattern ধারাটা দেখে মনে হয় কিছু তো চলছেই।