চোটে পড়ে আর্জেন্টাইন ফুটবলারের কান্না, বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তো
২০২৬ বিশ্বকাপের দুই মাস আগে, আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জন্য risk তৈরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের চোটের কারণে। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো এবং এমিলিয়ানো মার্তিনেসের মতো মূল সদস্যদের চোট কোচ লিওনেল স্কালোনির pressure আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে রোমেরোর কান্না মাঠেই ফুটিয়ে তুলেছে কতটা emotional এই মুহূর্ত।
টটেনহামের হয়ে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সময় রোমেরো ডান হাঁটুতে আঘাত পান। দ্বিতীয়ার্ধে গোলরক্ষক কিনস্কির সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর হাঁটুতে মোচড় ধরে। স্লো-মোশন footage থেকে স্পষ্ট যে লিগামেন্টে damage হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমআরআই স্ক্যানের অপেক্ষায় তাঁর বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত।
অ্যাস্টন ভিলার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে পারেননি। অনুশীলনে কাফ পেশিতে টান অনুভব করায় তিনি প্রতিস্থাপন চান। তবে প্রাথমিক ধারণা হলো, এটি গুরুতর নয় এবং তিনি quickly ফিরে আসতে পারবেন। তবে এই ধরনের পুনরাবৃত্ত চোট জাতীয় দলের কর্মকর্তাদের জন্য concern তৈরি করেছে।
লাউতারো মার্তিনেসও বাঁ পায়ের পেশিতে টান পেয়েছেন। ইন্টার মিলান ক্লাব জানিয়েছে এটি সামান্য, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর লেখা আবেগপ্রবণ: ‘আবারও... এখন সবটুকু দিয়ে ফেরার সময়।’ এই ধরনের repeated চোট দলের strategy নির্ধারণে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
আর্জেন্টিনা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতেছিল, এবং এবার শিরোপা defend চ্যালেঞ্জ আরও বড়। কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। চোটগুলো যদি সিরিয়াস হয়, তবে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দলটি বড় setback খেতে পারে। এখন সবার নজর চিকিৎসা রিপোর্ট এবং recovery উপর।
রোমেরোর কান্না দেখে বোঝা গেল কতটা personal ব্যক্তিগত এই ম্যাচগুলো তাঁদের কাছে। চোট মানে শুধু ম্যাচ হারা নয়, স্বপ্নও ভেঙে যেতে পারে।
পেশির চোট নিয়ে আবার আবার খেলানো হচ্ছে কেন? ক্লাব আর জাতীয় দলের মধ্যে balance ভারসাম্য থাকা দরকার।
এমিলিয়ানো তো আবার চোট পেয়েছেন? আগেও পেশির সমস্যা ছিল। এবার যদি বাদ পড়েন, তাহলে গোলরক্ষণ weak দুর্বল হবে।
আর্জেন্টিনা যদি চোটের কারণে দুর্বল হয়, তাহলে আমাদের জন্য প্রথম ম্যাচে opportunity সুযোগ হতে পারে।
লাউতারোর লেখা ‘আবারও...’ পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। একজন খেলোয়াড়ের জন্য frustration হতাশা কতটা বড় হয়, তা বোঝা যায়।
এত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এত চোট? এটা শুধু দুর্ভাগ্য নয়, ক্লাবগুলোর ফিটনেস management ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।