দুটি 'বড় দেশের' ভেটোয় এসিসিতে চাকরি হলো না আমিনুলের
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি decision নেওয়ার পর থেকেই চাকরির বাজারে নতুন pressure তৈরি হয়েছে। আমিনুল ইসলাম আইসিসি ছেড়ে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে ফিরেছিলেন, কিন্তু এখন তাঁর ভবিষ্যৎ আবার অনিশ্চিত। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি) একটি new role নেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দুটি প্রভাবশালী দেশের veto তা ভেস্তে দিয়েছে।
আমিনুল জানিয়েছেন, তিনি এখন গবেষণার দিকে ঝুঁকছেন। mental focus এবং ক্রিকেটে হায়ার কনশাসনেস নিয়ে তাঁর আগ্রহ। এর আগে তিনি ২৫ বছর খেলোয়াড় হিসেবে এবং ২০ বছর আন্তর্জাতিক প্রশাসনে কাজ করেছেন। এখন তাঁর লক্ষ্য personal growth এবং অভিজ্ঞতা লিখে রাখা।
গত ১০ মাসে বিসিবির সভাপতি হিসেবে তিনি যা করেছেন, তা নিয়ে তিনি confidence । কিন্তু এসিসিতে চাকরি না হওয়ায় তাঁর উপর অবশ্যই disappointment impact পড়েছে। তবে তিনি বলেন, আল্লাহর উপর trust রাখছেন, আর রিজিকের কথা ভাবছেন না।
এখন তিনি পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার plan করছেন। অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর পরিবার রয়েছে। সেখানে গিয়ে তিনি নিজের পরবর্তী steps নিয়ে ভাববেন। বই লেখা এবং গবেষণায় সময় দেওয়া তাঁর অগ্রাধিকার।
বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার সময় তিনি দেশের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য কাজ করেছেন বলে মনে করেন। কিন্তু এখন তিনি বুঝতে পারছেন, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক dynamics কতটা জটিল। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিকেও কখনো কখনো পদত্যাগ করতে হয়, আবার কখনো চাকরি হাতছাড়া হয়। তবে তিনি হতাশ নন—belief রাখেন ভবিষ্যতে।
ভেটো দেওয়াটা খেলার মাঠের বাইরের politics রাজনীতি, কিন্তু এটা খেলার integrity সততাকে প্রভাবিত করে।
আমিনুল যদি গবেষণা করেন, তাহলে তা থেকে অনেক কিছু শেখার থাকবে। mental strength মানসিক শক্তি ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ।
দুটো দেশ ভেটো দিলেও আমিনুলের যোগ্যতা নিয়ে কোনো doubt সন্দেহ নেই।
বিসিবি ছেড়ে আসার পর থেকেই তাঁর ভাগ্য নিয়ে concern উদ্বেগ ছিল।
ভেটো মানেই তো কোনো democracy গণতন্ত্র নয়। এটা শক্তিশালীদের control নিয়ন্ত্রণ।
আমিনুল যদি বই লেখেন, তাহলে সেটা হবে একটা legacy উত্তরাধিকার।