প্রধানমন্ত্রী প্রতি তিন মাসে একবার বসবেন সম্পাদকদের সঙ্গে
প্রতি three months একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সাথে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই regular বৈঠকের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভার পর তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপে সংবাদপত্র শিল্পের বর্তমান challenges এবং অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে কথা হয়।
নোয়াব সভাপতি বলেন, সংবাদপত্র শিল্প এখন বহু pressure মুখোমুখি। বিশেষ করে অর্থনৈতিক চাপ সবচেয়ে বড় সমস্যা। এই শিল্প কতদিন টিকে থাকবে, তা নিয়ে এখন বড় concern । তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী এই শিল্পের সুখ-দুঃখ ভালো করে বোঝেন, কারণ তিনি নিজে দীর্ঘদিন একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাই তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় আন্তরিকতা অনুভূত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন এবং নীতিগত support প্রদানের আবেদন জানানো হয়।
এই বৈঠকে প্রেস ফ্রিডম নিয়েও কথা ওঠে। মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে তিনি no one হোস্টাইল করতে চান না। এটি তাঁর উদার গণতন্ত্রের পথে হাঁটার প্রতিফলন বলে তিনি মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন মামলা পুনর্বিবেচনা করা হবে। বিনা কারণে কেউ কি কারাবন্দি রয়েছেন কিনা, জামিন দেওয়া যায় কিনা সেদিকে তিনি personally নজর দেবেন।
অন্যদিকে, সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে সংবাদপত্রগুলোর বকেয়া বিল নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে কার্যকর action নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, এর আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী এত ঘন ঘন বৈঠকের প্রতিশ্রুতি দেননি। শেখ হাসিনার ১৬-১৭ বছরে একবার বৈঠক হয়েছিল, ইউনূসের সময়ে ১৮ মাসে একবার। তাই প্রতি তিন মাসে বৈঠকের এই ঘোষণা একটি বড় shift হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই নিয়মিত বৈঠক শুধু সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক জোরদার করবে না, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক টেকসইতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও একটি strong বার্তা পাঠাবে। প্রতিষ্ঠানগত কাঠামোর মধ্যে নিয়মিত কথোপকথন হলে বুঝতে সহজ হয় কোথায় tension আছে এবং কীভাবে সেটি নিরসন করা যায়।
তিন মাস মানে বছরে চারবার। আগে কখনো এত regular নিয়মিত বৈঠক হতো না। এটা আসলেই একটা ভালো সংকেত।
আগের সরকারগুলো কী করেছিল সেটা তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু এখন promise প্রতিশ্রুতি শুনছি, কাজ কবে দেখব।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে ব্যক্তিগত নজরদারির assurance আশ্বাস পেলে ভালো হবে।
বকেয়া বিল নিয়ে কথা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। অনেক কাগজ তো এই কারণেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
প্রেস ফ্রিডম নিয়ে কথা বলা হলেও বাস্তবে কতটা impact প্রভাব ফেলবে সেটা দেখতে হবে।
হোস্টাইল করতে না চাওয়া ভালো, কিন্তু সমালোচনাকে tolerate সহ্য করা আলাদা কথা।
গণমাধ্যম শুধু কাগজ না, এটা গণতন্ত্রের অঙ্গ। এই বৈঠকের frequency ঘনত্ব বাড়ানো ভালো।
সরকার যদি সত্যিই উদার গণতন্ত্রের পথে হাঁটে, তাহলে এই ধরনের পদক্ষেপ আরও essential গুরুত্বপূর্ণ হবে।