ইস্টবেঙ্গল: উত্তপ্ত যুবভারতীতে হাতাহাতি-ধাক্কাধাক্কি ও ১০ কার্ড, দশজনের ইস্টবেঙ্গলের দুর্দান্ত ড্র বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে
যুবভারতী স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার রাতে মাঠের ভেতরের tension ছিল মারাত্মক, আর বাইরের heat ছিল অসহ্য। ইস্টবেঙ্গল বনাম বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচে খেলা শুরুর আগেই আবহাওয়া ছিল ঝামেলার। মাঠের উপরে ঝুঁকি ছিল না শুধু খেলার, pressure ছিল সব দলের উপর—বিশেষ করে ইস্টবেঙ্গলের। তাদের পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করছিল ফ্যানদের trust ফিরে পাওয়া।
ম্যাচ শুরু হতেই বেঙ্গালুরু এগিয়ে যায় early goal । আশিক কুরুনিয়ানের দুর্দান্ত শটে লাল-হলুদ ক্যাম্প আঘাত পায়। কিন্তু আনোয়ার আলির অসাধারণ bicycle kick দিয়ে সমতা ফিরিয়ে আনে ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি গেম পালটানো ঘটনা ঘটে: মিগুয়েলকে red card দেখানো হয়। কেন হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, মাঠের ভেতরের chaos প্রমাণ করে যে সিদ্ধান্তটি ছিল উত্তপ্ত moment -এর।
দশ জনের ইস্টবেঙ্গল দু'বার পিছিয়ে গেলেও হাল ছাড়েনি। সুরেশ সিংয়ের সুযোগ কাজে লাগানো থেকে শুরু করে সাউল ক্রেসপোর রিবাউন্ড গোল—সবেতে প্রমাণ হয়েছে দলের resilience । তৃতীয় বার পিছিয়ে পড়ার পর রায়ান উইলিয়ামসের অবিশ্বাস্য ম্যাজিক মানে মানে যুবভারতী নীরব হয়ে যায়। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের fightback ছিল নাটকীয়। বিপিন সিংয়ের ক্রসে অ্যান্টন সোবার্গ ম্যাচের শেষে ৯৭ মিনিটে নেটে বল জড়িয়ে দেন। এই drama কেবল ফ্যানদের হৃদয় জয় করেনি, গোটা লিগে আবার আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ম্যাচে ১০টি card দেখানো হয়—যা স্পষ্ট করে যে নিয়ন্ত্রণ কতটা কঠিন ছিল। রেফারি অশ্বিনের উপর চাপ ছিল অপরিসীম। কিন্তু খেলার মান, intensity এবং দর্শকদের passion তৈরি করা ম্যাচটি দেখে মনে হয়, এটি এই মরসুমের অন্যতম স্মরণীয় দ্বৈরথ। ইস্টবেঙ্গল হারেনি, কিন্তু জিততে চাইলে পরবর্তী ম্যাচগুলিতে আরও consistency দেখাতে হবে।
১০টা কার্ড? রেফারি কি ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করছিলেন নাকি কার্ডের দোকান চালাচ্ছিলেন? control নিয়ন্ত্রণ এতটাই হারিয়ে ফেলা ঠিক না।
৯৭ মিনিটে গোল! সোবার্গ আসলেই hero নায়ক। এমন drama নাটক দেখতে আমি মাঠে যাই।
গিল সাহেব কার্ড না খেয়েও মানসিকভাবে খেলার চাপে pressure চাপ ছিলেন। ক্রস ধরতে না পারা উইলিয়ামসের গোলে পরিণত হয়েছে।
আমরা কি ফুটবল ম্যাচ নাকি পুলিশি নাটক দেখলাম? fight মারামারি আর কার্ডের বন্যা—এটা খেলা না অ্যাঙ্কারিং?
দশ জনে তিন গোল করে ৩-৩ ড্র! দলটা আজ হৃদয় দিয়ে fight লড়াই করেছে। এই আত্মা যদি থাকে, ভবিষ্যৎ আশার।
আমরা তিনবার এগিয়ে ছিলাম, তবু হারালাম। ড্র হওয়াতে খুশি নই। disappointment হতাশা আছে, কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের effort প্রচেষ্টা সম্মান করি।