টানা পাঁচ ম্যাচে উইকেটশূন্য বুমরাহ: কী হচ্ছে মুম্বাইয়ের বোলিং এককে?
গত বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে দারুণ পারফরম্যান্সের পর জসপ্রিত বুমরাহ new আশা নিয়ে আইপিএলে ফিরেছিলেন। কিন্তু মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তার performance এখন পর্যন্ত খুবই হতাশাজনক। টানা পাঁচ ম্যাচে wicketless রয়েছেন তিনি। দিল্লী ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালস, কেকেআর এবং আরসিবির বিপক্ষে খেলায় যথাক্রমে ২১, ৩২, ৩৫ এবং ৩৫ রান দেওয়ার পরও কোনো উইকেট পাননি তিনি। এই ম্যাচে মুম্বাই ১৮ রানে হেরেছে।
বোলারদের ওপর pressure আসা স্বাভাবিক, কিন্তু বুমরাহর ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি কারণ তিনি দলের প্রধান bowler । তবে ব্যাটিং কোচ কাইরন পোলার্ড আশাবাদী। তিনি বলেছেন, বুমরাহ ঠিক আছেন, ফিট এবং ফর্মে। তিনি আশা করেন বুমরাহ আগামী ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নেবেন। এই ধরনের আত্মবিশ্বাস দলের জন্য অপরিহার্য, কারণ trust ফিরে পাওয়া কখনো কখনো খেলার চেয়েও বড় লড়াই।
অস্ট্রেলিয়ার ট্রেন্ট বোল্ট যদিও প্রথম ওভারে উইকেট নেওয়ার জন্য পরিচিত, তিনিও এখন পর্যন্ত মাত্র একটি উইকেট নিয়েছেন। এমনকি মোহাম্মদ শামি, ব্রিজেশ শর্মা এবং লুঙ্গি এনগিডির মতো বোলারদের ইকোনমি রেট বুমরাহের চেয়ে ভালো। মুম্বাইয়ের বোলিং ইউনিট এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে মাত্র ১৪টি উইকেট নিয়েছে, যেখানে রাজস্থান রয়্যালস ৩২টি উইকেট পেয়েছে। এটি শুধু বুমরাহর নয়, সমগ্র দলের crisis ।
বোলিংয়ের সব মাপকাঠিই মুম্বাইয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিকৃষ্ট: গড় ৫৫.০, স্ট্রাইক রেট ২৯.৬, ইকোনমি রেট ১১.১৩। তাদের ডট-বলের হার সবচেয়ে কম আর বাউন্ডারির হার সবচেয়ে বেশি। হার্দিক পান্ডিয়া স্বীকার করেছেন, বোলিং বা ব্যাটিং হিসেবে তারা খেলায় এগিয়ে নেই। তিনি বলেছেন, decision নেওয়া হবে কীভাবে তারা আবার সেই ছন্দ ফিরে পাবে।
সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেছেন, বুমরাহকে একা দোষ দেওয়া যাবে না। টি-টোয়েন্টিতে উইকেট পাওয়ার জন্য দলের সমগ্র বোলিংয়ের ওপর pressure গুরুত্বপূর্ণ। ভুবনেশ্বর কুমারের মতো বোলার যখন চাপ তৈরি করেন, তখন অন্য প্রান্তে ক্রুনাল বা সুয়াশের মতো বোলাররাও সুযোগ পান। বুমরাহ এখন পর্যন্ত তেমন support পায়নি। আগামী ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলবে মুম্বাই। এটি এমন একটি ম্যাচ যেখানে বুমরাহ আবার ছন্দ ফিরে পেতে পারেন।
বুমরাহ একা নয়, সমগ্র বোলিং ইউনিট খারাপ ফর্মে। pressure চাপ তৈরি করতে না পারলে উইকেট আসে না।
হার্দিক বলছেন চিন্তার কিছু নেই, কিন্তু হারের ধারা দেখে কি সত্যিই তাই? decision সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না, আর ফল ভালো হবে কী করে?
আরসিবির বিপক্ষে ২৪০ রানের পিছনে বুমরাহর উইকেট না পাওয়া বড় impact প্রভাব ফেলেছে।
শার্দুল ঠাকুর ছাড়া কেউ উইকেট পাচ্ছে না। বাকিদের ইকোনমি রেট ভয়াবহ। risk ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু ফল মেলছে না।
অশ্বিন ঠিক বলেছেন। বুমরাহকে একা দোষ দেওয়া অন্যায়। support সমর্থন নেই বলেই পারফরম্যান্স খারাপ।
আগামী ম্যাচে পাঞ্জাবের বিপক্ষে বুমরাহ যদি পাঁচটা উইকেট নেন, তবে সব pressure চাপ কেটে যাবে। খেলা দেখার মতো হবে।