অল্প বয়সে বিয়ে, পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব— আশার জীবনের অজানা অধ্যায়

ভারতীয় সংগীত জগতের এক কিংবদন্তী, আশা ভোঁসলে কেবল তাঁর অপ্রতিরোধ্য কণ্ঠের জন্যই নন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা উত্থান-পতনের জন্যও সর্বদা আলোচনায় থাকেন। প্রেম, rebellion , বিচ্ছেদ এবং নতুন করে পথ চলা— এসব মিলিয়ে তাঁর জীবন যেন এক সত্যিকারের বলিউড সিনেমা।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে আশা ভোঁসলে বিয়ে করেন গণপত্রাও ভোঁসলেকে, যিনি ছিলেন ৩১ বছরের এবং তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের সেক্রেটারি। নিয়মিত যাতায়াতের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে, relationship শেষ পর্যন্ত বিয়েতে রূপ নেয়। কিন্তু পরিবারে তৈরি হয় তীব্র opposition , বিশেষ করে লতা মঙ্গেশকর এটি মেনে নিতে পারেননি।

ফলে দুই বোনের মধ্যে তৈরি হয় গভীর distance । দীর্ঘদিন তাঁরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেননি, এমনকি আশাকে পরিবার ছেড়ে আলাদা জীবন শুরু করতে হয়। পরবর্তীতে এই বিয়ে ভেঙে যায় এবং আশা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, কিন্তু এটিই তাঁকে নতুন করে দাঁড়াতে strength জোগায়।

পরে আশা ভোঁসলে নতুন ভালোবাসা খুঁজে পান সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মনের মধ্যে। সংগীতই ছিল তাদের bond । সব বাধা পেরিয়ে তাঁরা ১৯৮০ সালে বিয়ে করেন। উল্লেখ্য, আশা তাঁর স্বামীর চেয়ে ছয় বছর বড় ছিলেন— যা সে সময় talk বিষয় ছিল।

যদিও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে কিছু দূরত্ব তৈরি হয়, কিন্তু মানসিক ও সংগীতগত বন্ধন ছিল অটুট। তাদের যৌথ কাজ ভারতীয় সংগীতে অসংখ্য কালজয়ী song উপহার দিয়েছে। আশা ভোঁসলের জীবন শুধু একজন গায়িকার গল্প নয়; এটি সাহস, আত্মনির্ভরতা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা।

প্রতিক্রিয়া 6

  • রাজি

    ১৬ বছরে বিয়ে? আজকের দিনে এটা ভাবলেই মনে shock লাগে।

  • প্রিয়া

    বড় বোনের সঙ্গে দূরত্ব সবচেয়ে বড় pain , এটা বোঝা যায়।

  • সন্দীপ

    আরডি বর্মনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল সংগীতের magic

  • তানিয়া

    একজন নারী হিসেবে সে সময়ে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ছিল খুব risky

  • অর্পিত

    পরিবারের বিরোধিতা সত্ত্বেও নিজের পথে হাঁটা আশার courage দেখে অনুপ্রাণিত।

  • মৌসুমী

    ১৯৮০ সালে বয়সের পার্থক্য নিয়ে এত pressure ছিল? আজকে তো এটা স্বাভাবিক।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]