বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, শিল্প উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে: ইসমাইল জবিউল্লাহ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি industry উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশাল potential রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতা ইসমাইল জবিউল্লাহ। শনিবার চীনের লু’আন শহরে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন তিনি। এ সফরে চা উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি inspiration পান এবং বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য মডেল হিসেবে চিহ্নিত করেন।
প্রতিনিধি দল গুয়াপিয়ান টি কোম্পানি লিমিটেড পরিদর্শন করেন, যা চীনের অন্যতম শীর্ষ দশটি চা প্রতিষ্ঠান। সেখানে তারা উচ্চমানের quality control এবং ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়ার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির একীভূত ব্যবহার প্রত্যক্ষ করেন। ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, এটি ছিল কেবল কারখানা দেখার ব্যাপার নয়, বরং একটি learning experience , যা বাংলাদেশের কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি এবং চীনের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মধ্যে একটি আদর্শ partnership গড়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে মূল্য সংযোজন, গ্রামীণ শিল্পায়ন এবং কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং সহযোগিতার ঐতিহ্য এগুলোকে আরও দৃঢ় করতে পারে।
এর আগে, প্রতিনিধি দল জ্যাক মোটরস কোম্পানি এবং চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে। সেখানে তারা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং দেশের ভবিষ্যতের প্রেক্ষাপটে পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী পরিকল্পনার প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা লক্ষণীয়। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে এই ১৯ সদস্যের দল ১৬ এপ্রিল চীন সফর শুরু করে।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, এ ধরনের সফর কেবল রাজনৈতিক যোগসূত্র নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে mutual trust গড়ে তোলার একটি মাধ্যম। প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও স্বনির্ভর হতে পারে, যা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্থানীয় পর্যায়ে এমন উদ্যোগ ত্বরিত করা হলে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।
শুধু কথা নয়, actual cooperation বাস্তব সহযোগিতা কখন? এত সফর, কিন্তু মাটিতে কী পরিবর্তন?
চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো কিন্তু তাদের প্রযুক্তি আমাদের কাছে খোলা হবে তো? নইলে শুধু inspiration অনুপ্রেরণা নিয়েই ফিরব।
গ্রামের মেয়েদের জন্য এমন দক্ষতা প্রশিক্ষণ হলে পারিবারিক income আয় বাড়বে।
বিএনপি চীনে গেলেও সরকার কী করছে? রাজনৈতিক ভাণ্ডামি নাকি সত্যিকারের উদ্যোগ?
চা শিল্পে আমাদের সম্ভাবনা আছে, কিন্তু মান নিয়ন্ত্রণ আর মার্কেটিং নিয়ে ভাবা হয়েছে তো? quality control মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়া রপ্তানি বাড়বে না।
শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা ভালো, কিন্তু তাদের জন্য চাকরির সুযোগ কীভাবে তৈরি হবে? job opportunity চাকরির সুযোগ না থাকলে দেশে ফিরবে না।
প্রযুক্তি চাই, কিন্তু কপিরাইট আর মালিকানা নিয়ে বিষয়টা জটিল। প্রযুক্তি স্থানান্তর কতটা খোলামেলা হবে?