মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানে হারল বাংলাদেশ
মিরপুরের মাঠে ধুম ধাম করে শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের, কিন্তু new series শুরু হয়েছে হতাশার মেঘে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ODI match ২৬ রানে হেরেছে টাইগাররা। উইকেটের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ব্যাটিংয়ে দুর্বলতা এবং ইনিংস বড় করতে না পারাই হারের মূল reason ।
নিউজিল্যান্ড আগাম উইকেট হারালেও হেনরি নিকোলস এবং ডিন ফক্সক্রফটের মতো ব্যাটসম্যান support দেন দলের। নিকোলসের ৬৮ এবং ফক্সক্রফটের অর্ধশতকের জোরে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে কিউইরা। বাংলাদেশি বোলাররা প্রথমে pressure তৈরি করলেও শেষপ্রান্তে রান বাঁচাতে পারেনি।
ব্যাটিংয়ে শুরুটা খুব ভালো হয়নি। তামিম ও শান্ত আগেই ফিরে যাওয়ায় চাপ বাড়ে। তখন আশা জাগান সাইফ হাসান এবং লিটন কুমার দাস। ৯৩ রানের জুটি গড়ে দলকে স্থিতিশীল করেন তারা। সাইফ করেন ৫৭, আর লিটন খেলেন ৪৬ রানের solid innings ।
কিন্তু তারপরই ধীর গতির ব্যাটিং দলের momentum হারায়। আফিফ এবং তাওহীদ হৃদয়ের জুটি ছিল ধীর, যা রানের হার ঠিক রাখতে পারেনি। আফিফ করেন ২৭, হৃদয় খেলেন সবচেয়ে বেশি, ৬৬ রান। তবুও চাপ কমেনি।
অধিনায়ক মিরাজও খেললেন না আশার আলো জ্বালিয়ে। ৬ রান করে বাজে শট খেলে ক্যাচ দিয়ে দলকে আরও নিচে নামান। শেষ পর্যন্ত ৪৯.৩ ওভারে ২২১ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে অনেক বেশি risk নেওয়া হয়নি, যা হারের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
এখন দলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ: পরের ম্যাচে পারফরম্যান্স উন্নয়ন করা। ব্যাটিং লাইন-আপে স্থিতিশীলতা এবং মাঝের ওভারগুলোতে আক্রমণাত্মক খেলা জরুরি। এই হার public trust নাড়া দিতে পারে, তাই জবাব দিতে হবে মাঠে।
লিটন-সাইফের জুটি ভালো হয়েছিল, কিন্তু তারপর কেন এত slow pace ধীর গতি? রান রেট বাড়ানো দরকার ছিল।
মিরাজের ওই শটটা কেন খেললেন? এটা ছিল নিরর্থক risk ঝুঁকি, আর দল পেয়েছে ফলাফল।
বোলিং একটু ভালো হলে নিউজিল্যান্ড ২২০-এর নিচেও থামতে পারত। তখন লক্ষ্য ম্যানেজেবল হত।
হৃদয় একা লড়াই করলেন, কিন্তু সঙ্গ পেলেন না। ওই চাপে ওই ইনিংস performance পারফরম্যান্স ভালোই বলব।
এক ম্যাচ হারলেই সব শেষ না। পরের ম্যাচে জিতলেই সিরিজ balance ভারসাম্য ফিরবে।
উইকেট ভালো ছিল, কিন্তু ব্যাটাররা কেন স্ট্রাইক রেট নিয়ে খেলল না? এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার।