কায়েম রইল দিল্লির মসনদ, ঘরের মাঠে লজ্জার পরাজয় আরসিবি-র
বেঙ্গালুরুর এম চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে আজ শনিবার এমন এক ম্যাচ হলো, যেখানে pressure ছিল লাগাতার বাড়তে থাকা আর উত্তেজনা ছিল আকাশছোঁয়া। দিল্লি ক্যাপিটালস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর মুখোমুখি হওয়ায় টুর্নামেন্টের গতি বদলে দেওয়ার risk ছিল দুই দলের কাছেই। তবে শেষ পর্যন্ত দিল্লির ব্যাটসম্যানদের quickly মানিয়ে নেওয়া আর শেষ ওভারের আগুন ডেভিড মিলারের ব্যাটে দিল্লিকে দিল ৬ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়।
প্রথমে ব্যাট করে আরসিবি ৮ উইকেটে ১৭৫ রান তুলে। ফিল সল্টের ৬৩ রান আর বিরাট কোহলির ১৯ রানে দলটি শুরুটা ভালো করলেও মাঝের ওভারগুলিতে দিল্লির বোলিং impact ফেলে। কুলদীপ যাদব এবং লুঙ্গি এনগিডির সমন্বয়ে দলটি প্রদর্শন করে নিখুঁত plan । কিন্তু আসল মুখোমুখি লড়াই শুরু হয়েছিল যখন দিল্লি টার্গেটের দিকে এগোচ্ছিল।
১৭৬ রানের টার্গেটে দিল্লির শুরুটা ছিল ভয়াবহ—১৯ রানে ৩ উইকেট হার। তখন কেএল রাহুল এসেছিলেন বিপদের সময় বাঁচাতে। তাঁর ৩৪ বলে ৫৭ রানের ইনিংস দলের support করে। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার পর আবার চাপ ফিরে আসে। সেই সময় ট্রিস্টান স্টাবস ৪৭ বলে অপরাজিত ৬০ রান করে দলের পিঠে জোর দেন। তাঁর শট নির্বাচন ছিল বুদ্ধিমানের মতো, আর তাতেই জন্য trust ফিরে আসে দলের মধ্যে।
শেষ ৫ ওভারে আরও ৬০ রানের দরকার ছিল। হাল ধরে রাখা গেলেও জয়ের ব্যাপারটা অনিশ্চিত ছিল। তখন শেষ ওভারে ডেভিড মিলার এসে দুটি ছক্কা আর একটি চার মেরে দিল্লির জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে দিল্লি তাদের হারের ধারা ভাঙল, আর আরসিবির ঘরের মাঠের অপ্রতিরোধ্য ছবিরও পরিবর্তন ঘটল। এই ম্যাচের result পয়েন্ট টেবিলেও নতুন ভারসাম্য এনেছে।
কুলদীপ যাদবের প্ল্যানটা ছিল স্পষ্ট—বাইরের এজ খুঁজে নেওয়া। আরসিবির ব্যাটসম্যানরা সেই pressure চাপ সামলাতে পারেনি।
শেষ ওভারে ডেভিড মিলার যেন ম্যাচটা একা জিতল! একটা risk ঝুঁকি নিয়ে গেম বদলে দিল।
বিরাট আউট হওয়ার পর আরসিবির পুরো টিমের confidence আত্মবিশ্বাস নেমে গিয়েছিল। ওই মুহূর্তটাই টার্নিং পয়েন্ট।
৩ উইকেট হারার পর আমরা হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু রাহুল-স্টাবসের partnership জুটি আবার আশা জাগাল।
আরসিবি ঘরের মাঠে হারার পর এখন তাদের strategy কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। প্রথমে ব্যাট করেও টার্গেট নিরাপদ করা গেল না।
ট্রিস্টান স্টাবস হয়তো সবচেয়ে বড় নাম নন, কিন্তু তাঁর performance পারফরম্যান্স ছিল ম্যাচ জেতানো।