অপুর ‘না’, বুবলীর ‘হ্যাঁ’—অতঃপর...
ঈদের আলোচিত সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’ এখনো দর্শকের কাছে public মনোযোগ টানছে। রায়হান রাফী পরিচালিত এই ছবিতে story নারীদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত সংগ্রামকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। চার নারী চরিত্রের মাধ্যমে ঢাকার নাগরিক জীবনের pressure , পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং স্বপ্নের সন্ধান ফুটে উঠেছে স্পষ্টভাবে। শবনম বুবলী ও নাজিফা তুষির মতো অভিনেত্রীদের performance দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।
তবে এই ছবি নিয়ে আলোচনায় এসেছে আরেকটি decision : বুবলী যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তার জন্য প্রথমে প্রস্তাব গিয়েছিল অপু বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু তিনি rejected । অপুর ঘনিষ্ঠ সূত্র মনে করে, চরিত্রটির গভীরতা ও presentation নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না। এ কারণেই তিনি ছবিতে participation করতে চাননি। পরে সেই ভূমিকায় যোগ দেন বুবলী।
এটি প্রথম নয়। বুবলীর অভিষেকের ছবি ‘বসগিরি’ এবং পরবর্তীতে ‘রংবাজ’ নিয়েও একই রকম situation ছিল। অপু প্রথমে চুক্তিবদ্ধ হলেও পরে প্রকল্প থেকে withdrew । ফলে সেই সুযোগগুলো পেয়েছেন বুবলী। এখন ‘প্রেশার কুকার’ নিয়ে পুনরায় সেই history মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
চলচ্চিত্র জগতে একটি চরিত্রের জন্য একাধিক অভিনেত্রীকে নিয়ে consideration করা স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে বারবার একই প্যাটার্ন দেখে কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন: pattern কি আকস্মিক, না কোনো গভীর conflict লুকিয়ে আছে? যাই হোক, সিনেমাটি নিজেই বাজারে ভালো response পাচ্ছে। পর্দার বাইরের এই ঘটনাগুলো আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তার impact ।
‘বসগিরি’ থেকে শুরু করে আজকের দিন—বুবলী পেলেন, অপু ছাড়লেন। এটা কি শুধু coincidence নাকি কিছু behind-the-scenes পিছনের সত্য আছে?
চরিত্রের depth গভীরতা না থাকলে অভিনেতা ফিরিয়ে দেওয়াটা সম্পূর্ণ valid যুক্তিযুক্ত। অপু ভুল করেননি।
নাজিফা তুষি ছাড়া এই ছবির কথা ভাবাও যায় না। তাঁর acting অভিনয় আসল মাস্টারস্ট্রোক।
রায়হান রাফী নারী চরিত্রগুলোকে যেভাবে portray চিত্রিত করেন, তাতে সমাজের বাস্তব reality বাস্তবতা ফুটে ওঠে।
একই চরিত্রে একাধিক অভিনেত্রী—এটা শিল্পের process প্রক্রিয়া। কিন্তু একজনের বারবার ছাড়া আরেকজনের ধরা—এতে একটা narrative গল্প তৈরি হয়।
প্রেশার কুকার দেখেছি। চার নারীর যাত্রা দেখে মনে হয়েছে, আমারই জীবনের experience অভিজ্ঞতা ফিরে এসেছে।