এবার কি রাজনীতির মাঠে দেখা যাবে শিমলাকে?
‘new ’ নায়িকা হওয়ার dream কখনো কল্পনাও করেননি শামসুন্নাহার শিমলা, কিন্তু ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমাটি তার জীবনের দিক বদলে দেয়। মৌসুমী ও সালমান শাহ অভিনীত সেই ছবি বারবার দেখে তার মনে একটি strong passion জাগে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সংলাপ মুখস্থ করতেন, ঘরের লোকজন ভাবত—মেয়েটার mind খারাপ হয়ে গেছে। পড়াশোনার বদলে সিনেমার দিকে ঝুঁকে পড়েন শিমলা, এবং সিদ্ধান্ত নেন—নায়িকা হবেন।
এরপর বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন ক্যারিয়ার গড়ার জন্য। কিশোরী বয়সেই প্রখ্যাত পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের সাথে যোগাযোগ করেন, তার courage দেখে মুগ্ধ হন তিনি। ফলশ্রুতিতে, ‘ম্যাডাম ফুলি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের opportunity পান। প্রথম ছবিতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আর তা দিয়েই তিনি প্রতিষ্ঠা পান ঢালিউডে। সিনেমার সাফল্যে পরিবারের বাধাও কেটে যায়।
অল্প সময়েই প্রায় ৩৫টি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। কিন্তু ২০১৫-এর পর থেকে কাজ কমে যায়। কেন? তার মতে, পরিচালকদের তখন অন্য নায়িকাদের নিয়ে pressure ছিল, তাকে নিয়ে ভাবার time হয়তো পাননি। আবার কিছু চরিত্রও তার পছন্দ হয়নি। তবে তিনি বলেন, কখনোই শীর্ষে যাওয়ার ambition ছিল না—শুধু নিয়মিত কাজ করতে চেয়েছিলেন।
দর্শকদের কাছে তিনি আজও ‘ম্যাডাম ফুলি’—একটি চরিত্রের মধ্যেই যে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, তাই তাঁর কাছে biggest achievement । কিন্তু এবার হঠাৎ করেই শিরোনামে উঠে এসেছেন—এক বছর আগে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে দলীয় কার্যালয়ে গেলেও, এবার তাকে দেখা যাচ্ছে election মাঠে ধানের শীষ প্রচারে। এই পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে debate ছড়িয়ে পড়েছে।
শিমলা স্পষ্ট করে দিয়েছেন—তিনি কোনো দলের কর্মী নন। তিনি একজন শিল্পী, আর শিল্পী হিসেবে তিনি সবার। কার পক্ষে vote চাইবেন, সেটা তার personal choice । তবে এই পথে তার হাঁটা কতটা সহজ হবে, জানেন না কেউ। একজন সিনেমা প্রেমিকের হৃদয় জয় করা গেলেও political arena কি তাকে সেভাবে গ্রহণ করবে?
একটা সময় তাঁকে প্রতিটা সিনেমাতেই দেখতে পেতাম, এখন হঠাৎ রাজনীতি? এটা নিজের identity পরিচয় বদলানোর মতো লাগছে।
অভিনেত্রী হিসেবে এত বড় জায়গায় থাকা মানুষটা এখন নির্বাচনে নামলেন? দারুণ move সিদ্ধান্ত, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন।
‘ম্যাডাম ফুলি’ নামটা আজও মনে আছে সবার। সেই চরিত্রটা এখনও দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
কেন আগে রাজনীতি না ভাবলেন, এখন কেন sudden হঠাৎ? কিছু মানুষ শুধু জনপ্রিয়তার জন্য এসব করেন।
শিল্পীদের রাজনীতির দিকে ঝোঁকা নতুন কিছু না। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হলো—তাঁর support সমর্থন কার? কোনো স্পষ্ট বার্তা নেই।
যে মানুষটা বাড়ি ছেড়ে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলেন, তাঁকে এখন new নতুন মাঠে দেখতে ভালো লাগছে—risk ঝুঁকি আছে, কিন্তু আশাও আছে।