কাস্টিংয়ের নামে শরীরের ‘ওখানে’ স্পর্শ! কোন পরিচালকের লালসার শিকার হয়েছিলেন সলমনের নায়িকা?
বলিউডের ঝলমলে জগতের অন্ধকার দিক আবার একবার আলোচনার কেন্দ্রে। কাস্টিং process নামে অনেক নারীকেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এবার সেই কালো সত্য উন্মোচন করলেন অভিনেত্রী ডেইজি শাহ। সলমন খানের বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করা এই নায়িকা কীভাবে এক পরিচালকের লালসার শিকার হয়েছিলেন, তা গুনগুন করে বলেছেন একটি সাক্ষাৎকারে।
ঘটনাটি ঘটেছিল মুম্বইয়ের একটি হোটেলে। দক্ষিণ ভারতের এক জনপ্রিয় পরিচালক কাস্টিংয়ের নামে ডেইজি শাহসহ আরও কয়েকজন মহিলাকে আলাদা আলাদাভাবে ডাকেন। ঘরে ঢুকতেই তিনি বুঝতে পারেন, এটি কোনও পেশাদার বৈঠক নয়। পরিচালক touch করছিলেন অনুপযুক্তভাবে, বিশেষ করে শারীরিকভাবে। ডেইজি বলেন, "তিনি আমার হাত ধরে রাখছিলেন এবং খুব নোংরাভাবে behavior করছিলেন—যা আমাকে খুব অস্বস্তিতে ফেলেছিল।"
ডেইজি আগে থেকেই ব্যক্তিগত স্পেস নিয়ে সচেতন। তিনি এমনকি body massage করান না। "আমি অন্য কারও স্পর্শ সহ্য করি না, নারী হোক বা পুরুষ—আমি সে থেকে সরে যাই।" সেই কারণে ওই পরিচালকের আচরণ তাঁর কাছে ছিল মানসিক shock । তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আর কখনো ফিরে যাননি।
ডেইজি শাহের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে। কন্নড় ছবিতে অভিনয়ের পর ২০১৪ সালে সলমন খানের film 'জয় হো' তে অভিনয় করে তিনি বলিউডে প্রবেশ করেন। তাঁর সাম্প্রতিক কাজ 'রেড রুম' ওয়েব সিরিজে প্রশংসা পেয়েছে। এখন তিনি প্রস্তুত হচ্ছেন একটি নতুন thriller ছবির জন্য, যেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন শ্রেয়াস তালপাড়ে।
এই ঘটনা আবার নির্মাতা-পরিচালকদের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মহিলা শিল্পীদের উপর pressure আর নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ডেইজির মতো প্রতিবাদ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অন্যদের জন্য আস্থা support তৈরি করে। শিল্প জগতে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য এমন কথা বলা জরুরি।
এমন ঘটনা অনেকের সঙ্গেই হয়, কিন্তু কেউ বলে না। ডেইজির সাহসকে স্যালুট।
কাস্টিংয়ের নামে এটা কত বার ঘটে! নতুন মেয়েদের ওপর pressure চাপ আসে, তাই তারা চুপ থাকে।
কেন নামটা বললেন না? সিদ্ধান্তটা বুঝতে পারছি না।
একটা থ্রিলারে কাজ করবেন? আশা করি সেটা ভালো হবে। update আপডেট চাই।
পাওয়ার ম্যাড কিছু পুরুষই মহিলাদের স্পেস নষ্ট করে। এটা শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নয়, reality বাস্তবতা সব জায়গাতেই।
সলমনের সঙ্গে কাজ করার পর তো বেশ নাম হয়েছিল। কিন্তু এই ঘটনা শুনে মন খারাপ হলো। trust আস্থা কমে যায় শিল্পের প্রতি।